আজ ২৬শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং দীর্ঘ নয় মাসের সংগ্রামের পর লাল-সবুজের পতাকা ছিনিয়ে আনার গৌরবান্বিত দিন। ৫৬ বছর আগে এই দিনেই পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে মুক্তির স্বপ্নে বিভোর হয়েছিল বাঙালি জাতি।
আজ কৃতজ্ঞ চিত্তে জাতি স্মরণ করবে সেইসব বীর সেনানীদের, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীন ভূখণ্ড।
সাভারে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এখন ফুলে ফুলে ছেয়ে যাওয়ার অপেক্ষায়। জাতির সূর্য সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে ধোয়া-মোছা ও সাজসজ্জার কাজ। বাহারি রঙের ফুল আর তুলির আঁচড়ে নতুন রূপ পেয়েছে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ। সেনাবাহিনীর সদস্যরা মহড়ার মাধ্যমে শেষবারের মতো নিজেদের ঝালিয়ে নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধার মাধ্যমেই শুরু হবে দিবসের মূল কর্মসূচি।
কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা
দিবসটি উপলক্ষে সাভার ও এর আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। পুরো চত্বরজুড়ে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন প্রতিটি প্রবেশপথে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের প্রিয় শহীদদের প্রতি ভালোবাসা নিবেদন করতে পারেন।
দেশজুড়ে নানা কর্মসূচি
রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনটি পালনে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে সরকারি-বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং আলোকসজ্জার মাধ্যমে উদযাপন করা হবে এই বিশেষ দিনটি। গণহত্যা থেকে মুক্তির শপথ আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে আজ মুখরিত হবে পুরো দেশ।













