নতুন বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো নিঃসন্দেহে একটি ভালো দিক। তবে দুঃখজনকভাবে দেখা যাচ্ছে, বই, খাতা, কলম, ব্যাগসহ শিক্ষাসামগ্রীর দাম বেড়েই চলেছে। এর ফলে দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হচ্ছে।

উপবৃত্তি ও বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ অবশ্যই প্রশংসনীয়। কিন্তু সবার জন্য শিক্ষা সহজলভ্য করতে হলে এসব শিক্ষাসামগ্রীর ওপর ভর্তুকি দেওয়া এবং শুল্ক-ভ্যাট কমানো খুবই জরুরি।

একইসঙ্গে, শিক্ষার মান বাড়াতে হবে। গাইডবই ও কোচিংয়ের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে। এজন্য দরকার দক্ষ শিক্ষক ও আধুনিক পাঠদানের পদ্ধতি।

এই প্রেক্ষাপটে কওমি মাদরাসার কথা না বললেই নয়। দেশের লাখো দরিদ্র শিশু-কিশোর আজ এসব মাদরাসায় একেবারে বিনামূল্যে পড়ালেখা করছে। অথচ জাতীয় বাজেটে এই বিশাল শিক্ষাক্ষেত্রটি প্রায় উপেক্ষিত।

সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকেও বাজেটের আওতায় আনতে হবে। অন্তত মৌলিক অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রীর জন্য সামান্য সহযোগিতাও তাদের জন্য অনেক উপকারে আসবে।

আমরা চাই, ২০২৫-২৬ সালের বাজেটে এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হোক।

–মুহাম্মদ নূর হোসাইন
সিনিয়র সহ সভাপতি, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ