দীর্ঘ ৫ বছর পর যশোরে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভাকে কেন্দ্র করে পুরো শহর জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর যশোর আগমন উপলক্ষে ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে দলে দলে দলীয় নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে জনসভাস্থল যশোর স্টেডিয়ামে যোগ দিচ্ছেন।
করোনা মহামারির পর যশোরে এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম জনসভা। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) শামস্-উল হুদা স্টেডিয়ামে জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।
এর আগে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী জনসভা শুরু হতো ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট থেকে। এবার যশোর থেকে শুরু হচ্ছে। তাই রাজনৈতিকভাবে এ জনসভা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
সকাল ৯ টার পর স্টেডিয়ামের প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হলে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সভাস্থলে প্রবেশ করেন। যশোর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের নেতৃত্বে শহরের কাজীপাড়া থেকে একটি বিশাল মিছিল ৮টা ৪৫ মিনিটে স্টেডিয়াম অভিমুখে যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে মিছিলে সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের ছবি সম্বলিত সাদা গেঞ্জি এবং লাল-সবুজ টুপি পরে অসংখ্য মানুষ অংশ নেন। শুধু পুরুষ নয়; সমাবেশে এসেছেন নারীরাও।
শেখ আফিল উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বড় মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেছে। এ ছাড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারসহ নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে আসতে শুরু করেছে। বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন সাজিয়ে, ভুভুজেলা বাজিয়ে নেচে গেয়ে, কেউবা মোটরসাইকেল নিয়ে মিছিলে যোগ দিয়েছেন। সকাল থেকে মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছে যশোর।
আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, বিগত কয়েক বছরে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়ন এবং পদ্মা সেতু নির্মাণ- রাজনৈতিকভাবে অনেক গুরুত্ব বহন করছে। তাই এ জনসভায় স্মরণকালের জনসমাগম ঘটবে। যেটি হবে ঐতিহাসিক জনসভা।








