আদালত থেকে জঙ্গি ছিনতাই মামলার আসামি মেহেদী হাসান অমি ওরফে রাফিকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
তিনি বলেন, ‘রাফি জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় করা মামলার ১৪ নম্বর আসামি। কখন কোথা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সে বিষয়ে পরে জানানো হবে। পলাতক অন্য আসামিদের ধরতে আমাদের অভিযান চলছে।’
কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনায় রোববার রাতে আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের পক্ষ থেকে কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা করা হয়। এতে আসামি করা হয় পালিয়ে যাওয়া ও জামিনে থাকা ৪ জঙ্গিসহ ২০ জনকে। এ ছাড়া অজ্ঞাতপরিচয় আরও ২০ থেকে ২১ জনকে আসামি করা হয়। পরের দিন ২১ নভেম্বর সোমবার মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় সিটিটিসি।
মামলার আসামিরা হলেন-শাহিন আলম, শাহ আলম ওরফে সালাউদ্দিন বিএম মুজিবুর রহমান, সুমন হোসেন পাটোয়ারী, খাইরুল ইসলাম জামিল, মইনুল হাসান শামীম, আবু সিদ্দিক সোহেল, মোজাম্মেল হোসেন সাইমন, আরাফাত রহমান ওরফে সিয়াম ওরফে সাজ্জাদ, শেখ আব্দুল্লাহ ওরফে জুবায়ের ওরফে যায়েদ, আব্দুস সবুর, রশিদ উন নবী ভুইয়া ওরফে টিপু ওরফে রাসেল, ইদি আমিন, মেহেদী হাসান অমি, সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল হাসান ওরফে মেজর জিয়া, আয়মান সাব্বিরুল হক চৌধুরী ওরফে কনিক, তানভীর ওরফে শামসেদ মিয়া, রিয়াজুল ইসলাম ওরফে রিয়াজ ও ওমর ফারুক ওরফে নোমান।
গত রোববার ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত থেকে পুলিশকে মারধর ও চোখে পিপার স্প্রে করে নিষিদ্ধ সংগঠন আনসার আল ইসলামের দুই সদস্যকে ছিনিয়ে নিয়ে যান জঙ্গিরা। তারা হলেন মইনুল হাসান শামীম ওরফে সিফাত সামির ও মো. আবু ছিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব।
ছিনিয়ে নেওয়া দুই জঙ্গি জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন এবং লেখক ও ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি।
আদালত প্রাঙ্গণ থেকে দুই জঙ্গি ছিনিয়ে নেওয়ার দুই দিন পর তিন ডিআইজি প্রিজন্স ও দুই জেল সুপারকে বদলি করা হয়েছে।
সূত্রঃ প্রতিদিনের বাংলাদেশ







