বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলোর মতো তাদের লোগোও খুব পরিচিত। ছবি দেখলেই বলে দেওয়া যায় সেগুলো কোন প্রতিষ্ঠানের। লোগোগুলো তৈরির পেছনে আছে একেকটি গল্প।
আমাজনঃ
খুচরা ব্যবসায় প্রভাবশালী তো বটেই, পাইকারি ব্যবসাতেও আমাজনের নাম বিপুল সমাদৃত। আজ থেকে ২৬ বছর আগে শুরু হওয়া বিশ্বের সর্ববৃহৎ অনলাইন বইয়ের ভান্ডার আমাজনের শুরু হয়েছিল জেফ বেজোসের হাত ধরে। তবে শুরুতে এর নাম আমাজন ছিল না, এটি পরিচিত ছিল ‘কাডাবরা’ (Cadabra) নামে। বলা হয় শব্দটি মূলত ছিল আব্রাকাডাবরা (abracadabra), যার অর্থ জাদু (magic) । সে সময় প্রতিষ্ঠানটির জন্য কাজ করা প্রথম আইনজীবী বলেছিলেন, এই নামটি বেশ অস্পষ্ট। ফোনে নামটি বলার সময় শোনা যেত ‘কাডাভর’ (Cadaver) । নব্বই দশকের মাঝামাঝি বেজোস ও তার স্ত্রী ম্যাককিনজি টাটল আরও বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ শুরু করেন। বেশ কয়েকটি ডোমেইন যেমন Awake. com, Browse. com, Bookmall. com, Relentless. com (ব্রাউজারে এই ঠিকানা লিখলে সরাসরি আমাজনের ওয়েবসাইটে যাওয়া যায়) রেজিস্টার করে রাখেন। নাম নিয়ে কিছুটা দ্বিধা শুরু হলে বেজোস ডিকশনারিতে ‘এ’ সেকশন থেকে নাম খোঁজা শুরু করেন। যেহেতু ওয়েবসাইট ইংরেজি বর্ণমালা অনুযায়ী সাজানো ছিল, তিনি এমন একটি নাম খুঁজছিলেন যেটি শুরু হয়েছিল ‘এ’ দিয়ে। তখন তার চোখে পড়ে আমাজন (Amazon) শব্দটি। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নদীর নাম হওয়ায় নামটি বেশ পছন্দ হয় বেজোসের। তিনি তখনই ঠিক করেন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বইয়ের দোকানের নাম হবে এই আমাজন।
বেজোস তখনই গ্যারেজে (আমাজনের শুরু হয় যেখানে) গেলেন। সহকর্মীদের প্রতিষ্ঠানের নতুন নাম সম্পর্কে জানালেন। কথা বলার সময় তিনি অন্য কারও মতামত নেননি। নতুন নামে ওয়েব পেইজের ঠিকানা রেজিস্টার করা হয় ১৯৯৪ সালের ১ নভেম্বর। কেন এই নাম তার প্রতিষ্ঠানের জন্য যথার্থ সেই বিষয়ে বেজোস বলেন, ‘এটি শুধু বিশ্বের সবচেয়ে বড় নদী তাই নয়, পরবর্তী সময়েও আসবে এমন যে কোনো নদী থেকেও এটি বিশাল। আমাদের আমাজনের বিষয়টিও ঠিক তেমনই।’
আমাজনের লোগোর অর্থটিও দারুণ। এর লোগোতে শুরুতে দেখা যায় A এবং শেষে দেখা যায় Z। এর অর্থ হচ্ছে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে শুরু হয় এমন যে কোনো জিনিসই (প্রায়) এখানে পাওয়া যায়। আর এ থেকে জেড পর্যন্ত রেখা টেনে হাসিমুখের যে প্রতীকী চিহ্ন বোঝানো হয়েছে এর অর্থ, আমাজন থেকে কেনাকাটা করে গ্রাহকদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে।
ইন্সটাগ্রামঃ
ইন্সটাগ্রামের জনক কেভিন সিসট্রম ও মাইক ক্রিগারের হাত ধরে। ২০১০ সালে বিশ্বখ্যাত ছবি শেয়ারিং-এর অ্যাপ তৈরির পর এর নাম দেওয়া হয় বার্বন। বুদ্ধিমান উদ্যোক্তারা জানতেন মানুষের মনে প্রভাব ফেলার জন্য একটি লোগোর গুরুত্ব কতটুকু হতে পারে। সহ-প্রতিষ্ঠাতা কেভিন সিসট্রম আসল লোগোটি ডিজাইন করেন ২০১০ সালে। সেই লোগোটি ছিল পোলারয়েড ক্যামেরার আদলে। ক্যামেরার গায়ে ছিল রংধনু স্ট্রাইপ। কেভিনের বানানো লোগোটি মূলত ছিল দুই সপ্তাহের জন্য। অ্যাপল চেয়েছিল অ্যাপ স্টোরের হোম পেইজে সেটি দেখাতে। কিন্তু কেভিন নিজেই এতে সন্তুষ্ট হতে পারছিলেন না। সে সময় কেভিন ও তার দল ভাবলেন লোগোতে আরও কিছু পরিবর্তন আনা দরকার। তারা যোগাযোগ করলেন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার ও ডিজাইনার কোল রাইজের সঙ্গে। রাইজ তখন ইন্সটাগ্রামের একজন বেটা টেস্টার ছিলেন। অ্যাপলে পাঠানোর আগে লোগোতে কিছু পরিবর্তনের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হলো রাইজকে। কিন্তু তাদের হাতে সময় ছিল মাত্র ১ ঘণ্টা। এরপরই অ্যাপল তাদের সব অ্যাপ উন্মুক্ত করে দেবে, আর যদি কেভিন তাদের আইকন না দিতে পারে তবে ইন্সটার অ্যাপ সেখানে আর দেখা যাবে না।
রাইজ ভালো করে লোগোটি পর্যবেক্ষণ করলেন। দেখলেন আগের ক্যামেরায় দুটো লেন্স ছিল। রাইজ তার একটিকে ভিউ ফাইন্ডার করে দিলেন। ক্যামেরাটির বাম পাশে রংধনুর কিছু রং জুড়ে দিয়ে নিচে ইন্সটা বানানটাও লিখে দিলেন। মাত্র ৪৫ মিনিট সময়ের মধ্যে চমৎকার এই আইকনটি বানিয়ে ফেলেন রাইজ। নতুন ডিজাইন নিয়ে রাইজের মন্তব্য ছিল, ‘মানুষের জন্য পরিবর্তন কঠিন। লোকেরা যখন ইতিমধ্যেই একটি জিনিসে অভ্যস্ত তখন সেটিকে এক মুহূর্তে বদলে দেওয়াটা সত্যিই অনেক কঠিন। এর জন্য আসলেই অনেক সাহসের প্রয়োজন।’
২০১৬ সাল পর্যন্ত এই লোগো বহাল তবিয়তেই ছিল। এত বছর পর অ্যাপের মালিকরা ভাবলেন, যুগ যেখানে বদলে যাচ্ছে, বিভিন্ন অ্যাপ প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে, সেখানে তারা কিনা আটকে আছেন পুরনো দিনের অ্যানালগ ক্যামেরাতেই? সত্যি বলতে এটিকে আইকন কম, ক্যামেরাই বেশি মনে হতো। আইকন থেকে এই ক্যামেরাভাব দূর করার জন্য এবার কিছুটা নড়েচড়ে বসলেন ইন্সটাগ্রামের ডিজাইনাররা। নয় মাস ধরে তারা নানা নকশা করলেন, নানাভাবে ভাবলেন, নানা ছবি আঁকলেন। কিন্তু মনের মতো বলতে যা বোঝায়, অর্থাৎ গ্রাহক যে আইকন দেখে সহজেই আকৃষ্ট হবে সেটি তারা কোনোভাবেই সাজিয়ে উঠতে পারলেন না। প্রায় ১০০টিরও বেশি নকশা একের পর এক এঁকে একরকম ক্ষান্তই দিলেন সবাই। আবারও কেভিন যোগাযোগ করলেন কোল রাইজের সঙ্গে। এবার রাইজের সঙ্গে যুক্ত হলেন ডিজাইনার রবার্ট প্যাডবারি। আগের লোগোটি বদলে সম্পূর্ণ নতুন চেহারা দেওয়া হলো এটিতে। এবারের লোগোটি ছিল পোলারয়েড ক্যামেরার আউটলাইন ইলাস্ট্রেশন। রংধনুর স্ট্রাইপগুলোও সরিয়ে ফেলা হলো। তৃতীয় এই লোগোটি উপস্থাপনের পর অবশ্য ইন্টারনেট জগতে নেতিবাচক অনেক কমেন্ট করা হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে এই লোগোটিই এখন ব্যবহারকারীদের মন জয় করে নিয়েছে।
অ্যাডিডাসঃ
ছোট্ট একটি পারিবারিক ব্যবসা থেকে অ্যাডিডাস হয়ে উঠেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্পোর্টস পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের অসাধারণ সাফল্যের পেছনে কাজ করেছে তাদের ব্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি। অ্যাডিডাস বিখ্যাত তার লোগোতে তিনটি স্ট্রাইপ ব্যবহারের জন্য। ১৯৪৯ সালে যখন অ্যাডিডাসের শুরু হয় তখন তার লোগোতে ছিল একটি স্পাইকড রানিং সু-এর ছবি। adidas-এর দুটো d বেশ লম্বাভাবে এঁকে তার মধ্যে বসানো থাকত জুতাটি। সমস্যা ছিল এই লোগোটি ব্যবহার করত কারহু স্পোর্টস নামের আরও একটি প্রতিষ্ঠান। এই দ্বিধা দূর করার জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডলফ ড্যাসলার ১৬০০ ইউরো দিয়ে লোগোর একটি ট্রেডমার্ক করেন।
৭০ দশকের শুরুতে লোগোতে তিনটি প্যারালাল স্ট্রাইপ যুক্ত করা হয়। ১৯৭১ সালে ব্র্যান্ডের ক্যাম্পেইনের সময় তিন পাতার লোগো যুক্ত করা হয়। এই লোগোর তিনটি পাতা নর্থ আমেরিকা, ইউরোপ ও এশিয়া এই তিন জায়গাকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ এখান থেকে তাদের পণ্য কেনা যাবে। ১৯৯১ সালে দর্শকরা দেখতে পান তিনটি বাঁকানো স্ট্রাইপ। এটি দেখতে কিছুটা মাউন্টেইনের মতো। এই লোগোর অর্থ, যত চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, নিজ লক্ষ্য তারা পূরণ করবেই। বর্তমানে গোলাকার লোগোটির ওপর যে তিনটি বাঁকানো লাইন দেখা যায় সেটি বানানো হয়েছিল ২০০০ সালে। এই লোগোর অর্থ হচ্ছে, পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় তারা দাঁড়ানোর সক্ষমতা রাখে এবং পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে। লোগো বদলালেও ইংরেজি নামের অক্ষর সব সময় ছোট হাতের অক্ষরেই। কারণ তারা বোঝাতে চায়, তারা এমন ধরনের জুতা বানায় যেগুলো সবার সাধ্যের নাগালেই।
এলজিঃ
এলজি মূলত দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে বিশ্বের ৭৫টিরও বেশি দেশে এলজির আউটলেট আছে। প্রতিষ্ঠানটি মূলত দুটো কোরিয়ান ব্র্যান্ড লাকি ও গোল্ডস্টারের একত্রিত রূপ। দুজনের একত্রিত হওয়ার গল্পের আগে জানতে হবে এককভাবে তাদের বেড়ে ওঠার গল্প। ১৯৪৭ সালে যাত্রা শুরু হয় লাকি কোম্পানির। লাকি’র প্রথম লোগোতে জিগজ্যাগ লাইনের এল (L) দিয়ে বোঝানো হতো লাল ও সাদা রং দিয়ে। ডান পাশে কালো অক্ষরে লেখা থাকত নামের বানান। পুরোটাই বোল্ড করা ছিল।
গোল্ডস্টার ব্র্যান্ডের যাত্রা শুরু হয় ১৯৫০ সালের শেষের দিকে। তাদের প্রথম লোগোতে শব্দটির ওপর জোর দেওয়া হয়েছিল। নামের ওপর ছিল জ্যামিতিক আকারের মুকুট। ১৯৮০ সালে গোল্ডস্টার তাদের লোগোতে পরিবর্তন আনে। প্রথমটি ছিল কালো রঙের লোগো, পরেরটির রং ছিল লাল। মুকুটটি লাল সাদা চারকোনা বক্সের মধ্যে রেখে নামটি পাশে রাখা হয়। বক্সের মধ্যে GOLDSTAR-এর GS লেখা হয় লাল রং দিয়েই। এই লোগোরও পুরোটাই বোল্ড করা ছিল।
এই দুই প্রতিষ্ঠান একত্রিত হয় ১৯৮৩ সালে। শুরুতে গোল্ডস্টারের লোগোতে থাকা বক্সের মধ্যকার মুকুটটি ঠিক রেখে সেটি বসানো হয় লাকি’র জিগজ্যাগ করা এল-এর ওপর। এই অংশটুকু ছিল লাল রঙের। গোল্ডস্টারের নামটি লেখা হতো কালো অক্ষরে। সে সময় লোগোটি লেখা হতো কোরিয়ান অক্ষরে। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত লোগোটি এমনই থাকে। এ বছর দুই প্রতিষ্ঠানের নাম ছোট করে এলজি (LG) করা হয়। নতুন লোগোতে লাল রঙের গোল বৃত্তের মধ্যে হালকা অ্যাশ রঙে লেখা হয় এলজি ওয়ার্ডমার্ক। এল-এর পাশেই সাদা রঙের একটি ডট দেওয়া হয়। পাশেই ইংরেজি শব্দ দুটিও লেখা হয়। এই লোগোটি বহুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এখন পর্যন্ত এই লোগোটিই ব্যবহার করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এই লোগোর বৃত্তের অংশটুকু ছিল মেরুন রঙের। ২০০৮ সালে লোগোটি থ্রি-ডাইমেনশনালভাবে বানানো হয়। শব্দ দুটোতে দেওয়া হয় অ্যাশ রং। ২০১৪ সালে বৃত্তটি আবারও লাল রঙে (ইটের মতো রং) ফিরিয়ে আনা হয়। অ্যাশ রংকে আরও ডার্ক করা হয়। বৃত্তের ভেতরের ডটটি দেখে হাসিমুখ মনে হয়। লোগো তৈরির পেছনের গল্পটি ছিল খুব সাধারণ। যে কেউ লোগোটি দেখলে যেন সবার আগে একটি হাসিমুখ দেখতে পান। এলজি (LG) মানে Life’s Good জীবন সুন্দর।
ম্যাকডোনাল্ডসঃ
ফাস্টফুডের দুনিয়ায় ম্যাকডোনাল্ডসের নাম সুপরিচিত। বিশ্বের শীর্ষ ব্র্যান্ডের নামের মধ্যে এই নাম একটি। ম্যাকডোনাল্ডস খাবারের দুনিয়ায় প্রবেশ করে ১৯৪০ সালে, রিচার্ড ও মরিস ম্যাকডোনাল্ড নামে দুই ভাইয়ের হাত ধরে। সে সময় সান বার্নারডিনো, ক্যালিফোর্নিয়াতে বার্গারের ভেতর বারবিকিউ দিয়ে পরিবেশন করা হতো। ফ্রাই করা কিছু তখনো মেন্যুতে আসেনি। ১৯৪৮ সালে ফাস্ট ফুড নিয়ে খুব দ্রুত ভালো করায় দুই ভাই তখন প্রতিষ্ঠানের নাম দেন ‘স্পিডি সার্ভিস সিস্টেম’। সার্ভিসকে আরও দ্রুত করার জন্য তালিকা থেকে বারবিকিউ বাদ দেওয়া হয়। লোগোতে স্পিডি নামে এক চোখ বন্ধ করা একজন শেফকে যুক্ত করা হয়, যার অর্থ হচ্ছে সে খুব দ্রুত যোগাযোগ করছে।
১৯৫২ সালে দুই ভাই স্থপতি স্ট্যানলি মেস্টনকে বলেন তাদের প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি আউটলেটের নকশা করে দেওয়ার জন্য। তখন রিচার্ড খুব অল্প সময়ে হলুদ রঙের তীর চিহ্নযুক্ত অর্ধবৃত্ত আকৃতির একটি লোগো বানান। জর্জ ডেক্সটার নামে একজন লোগো প্রস্তুতকারক এই নকশাকে আরেকটু বদলে দেন। সেটি তখন ব্যবহার করা হতো ভবনের দুই পাশে। লোগোটি দেখে কিছুটা এম (M)-এর মতো মনে হয়।
১৯৬১ সালে রে ক্রক যখন ম্যাকডোনাল্ডসের দায়িত্ব নেন তখন যুক্ত হয় নতুন করপোরেট লোগো। এরপর ম্যাকডোনাল্ডস করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ফ্রেড টার্নার এম (M)-কে হলুদ একটি তীরচিহ্ন দিয়ে আবদ্ধ করে দেন। এরপর চালু হয় নতুন লোগো।
১৯৭৫ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই লোগো লেখা হতো একটি লালরঙা আয়তক্ষেত্রের মধ্যে। এটি অবশ্য ১৯৭৬ সাল থেকে শুরু করে পরের কয়েক বছর পর্যন্ত নতুন রেস্টুরেন্টগুলো এ ধরনের লোগো বেশি ব্যবহার করত। ১৯৯২-২০০৯ সাল পর্যন্ত আয়তক্ষেত্রকে হাইলাইট করা হয়। ম্যাকডোনাল্ডসের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ক্যাম্পেইন ছিল ২০০৩ সালে। এই বছরের ২ সেপ্টেম্বর ‘I’m loving it’ নামের লোগোটি লঞ্চ করা হয়। হলুদ রঙের তীর দুটো বাঁকানোভাবে লিখে বানানো হয়েছিল এই লোগো। দেখতে এম (গ)-এর মতো মনে হলেও ম্যাকডোনাল্ডসের এম-এর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।
সূত্রঃ দেশরুপান্তর







