চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত মাইক্রোবাসের ৫ আরোহীকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ২৮ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ও পাঁচলাইশ থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাদিকুর রহমান জানিয়েছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীনরা হলেন, তৌকিদ ইবনে শাওন, তাসমির পাভেল, মো. মাহিম, মো. সৈকত ও তানভীর হাসান হৃদয়।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝরণা দেখে মাইক্রোবাসে ফেরার পথে ট্রেনের ধাক্কায় ১১ জন নিহত ও ৫ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে পূর্বাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি দুর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাসটিতে ১৮ জন ছিল। এদের মধ্যে ঘটনাস্থলে ১১ জন মারা গেছে। ৬ জনকে চমেক হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। একজন দুর্ঘটনার সময় লাফ দিয়ে মাইক্রোবাস থেকে নেমে যাওয়ায় অক্ষত আছেন। আহতদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
জানা গেছে, মিরসরাইয়ে দুর্ঘটনায় হতাহত মধ্যে ১৬ জন যুগীরহাট এলাকার আরঅ্যান্ডজে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। বাকি দুইজন দুর্ঘটনা কবলিত মাইক্রোবাসের চালক ও হেলপার। হতাহতদের মধ্যে ১৫ জনের নাম-পরিচয় জানা গেছে।
এদের মধ্যে ১০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থী ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির শিক্ষার্থী। এরা হলেন, শাওন, হিসাম, আয়াত, সৈকত, মারুফ, তাসমির, হাসান, ইমন, হৃদয় ও মাহিম। বাকি ৫ জনের মধ্যে রয়েছেন- কোচিং সেন্টারের শিক্ষক জিসান, রেদোয়ান, সজীব ও রাকিব এবং মাইক্রোবাসচালক মোস্তফা কামাল। সহকারীর নাম জানা যায়নি।
তথ্যসূত্রঃ ইত্তেফাক










