সেভলন নাকি ডেটল, ঘরের ফার্স্ট-এইড বাক্সের জন্য কোনটি ভালো? এই প্রশ্ন প্রায় প্রতিটি পরিবারেই ওঠে। কেটে গেলে বা ছড়ে গেলে আমরা সাধারণত হাতের কাছে যেটা পাই, সেটাই তুলে নিই।
দুটোর রং আলাদা, গন্ধ আলাদা, কিন্তু কাজ প্রায় এক বলে মনে হয়। আসলে ভেতরের রসায়ন একেবারেই ভিন্ন। আর সেই পার্থক্যই ঠিক করে দেয়, কোন পরিস্থিতিতে কোনটি বেশি মানানসই।
এই লেখায় আমরা দেখব, দুটোতে কী আছে, জীবাণুর বিরুদ্ধে কীভাবে কাজ করে এবং কোন ক্ষতে কোনটি এগিয়ে। এরপর জানব কতটা পাতলা করলে নিরাপদ। শেষে থাকছে তুলনা টেবিল এবং কার জন্য কোনটি ভালো, তার স্পষ্ট সিদ্ধান্ত।
সেভলন নাকি ডেটল: ভেতরে কী আছে
সেভলন দুই উপাদানের জুটি। অন্যদিকে ডেটল একটিমাত্র ফেনলিক যৌগের ওপর দাঁড়িয়ে। এখান থেকেই বাকি সব পার্থক্যের শুরু।
সেভলনের উপাদান: ক্লোরহেক্সিডিন ও সেটিমাইড
সেভলন অ্যান্টিসেপটিক লিকুইডের প্রতি ১০০ মি.লি.-এ থাকে ৩.০ গ্রাম সেটিমাইড ও ০.৩ গ্রাম ক্লোরহেক্সিডিন গ্লুকোনেট। দুজনের কাজ যেন ভাগ করা। একজন ময়লা সরায়, আরেকজন জীবাণুর গায়ে আঘাত হানে।
- সেটিমাইড একটি কোয়াটারনারি অ্যামোনিয়াম যৌগ, যার কাজ অনেকটা ডিটারজেন্টের মতো। এটি জীবাণুর কোষপর্দার লিপিড স্তর এলোমেলো করে দেয়। ফলে কোষের ভেতরের উপাদান ধীরে ধীরে বেরিয়ে যায়। গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে এটি কার্যকর, আর ঘনত্ব বেশি হলে কিছু গ্রাম-নেগেটিভের বিরুদ্ধেও কাজ করে।
- ক্লোরহেক্সিডিন একটি বাইগুয়ানাইড অ্যান্টিসেপটিক। এটি জীবাণুর কোষপ্রাচীর ও কোষপর্দায় আঘাত করে, সাইটোপ্লাজম জমাট বাঁধায় এবং কোষের শক্তি উৎপাদনও ব্যাহত করে। কম ঘনত্বে এটি জীবাণুর বৃদ্ধি থামায়, বেশি ঘনত্বে জীবাণুকে মেরে ফেলে। গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ, দুই দলের বিরুদ্ধেই এটি কাজ করে।
ডেটলের উপাদান: ক্লোরোজাইলেনল (PCMX)
ডেটলের সক্রিয় উপাদান ক্লোরোজাইলেনল, যার পরিমাণ ৪.৮% w/v। এটি একটি হ্যালোজেনযুক্ত ফেনল। ধারণা করা হয়, এর হাইড্রক্সিল (OH) গ্রুপ জীবাণুর কোষপর্দার প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পর্দা ভেঙে দেয়।
তখন ভেতরের উপাদান বেরিয়ে যায়, আর যৌগটি কোষে ঢুকে আরও প্রোটিন ও এনজাইম অকেজো করে। তবে এর সুনির্দিষ্ট আণবিক কার্যপদ্ধতি এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়।
এছাড়া একটি সীমাবদ্ধতাও জানা থাকা ভালো। ক্লোরোজাইলেনল মূলত গ্রাম-পজিটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে বেশি কার্যকর। Pseudomonas aeruginosa ও অনেক ছত্রাক এর প্রতি বেশ প্রতিরোধী, এমনটাই অ্যান্টিসেপটিক নিয়ে প্রকাশিত পর্যালোচনায় বলা হয়েছে (McDonnell ও Russell, ১৯৯৯)।
পণ্যটিতে পাইন অয়েল, আইসোপ্রোপাইল অ্যালকোহল ও ক্যাস্টর অয়েলও থাকে। সেগুলোই গন্ধ ও দ্রবণের ধরন ঠিক করে। পাতলা করলে ডেটল দুধ-সাদা হয়ে যায়।
সেভলন নাকি ডেটল: কোন ক্ষতে কোনটি উপযুক্ত
সামান্য কাটা, ছড়ে যাওয়া বা পোকার কামড়ে দুটোই লেবেলে অনুমোদিত। তফাত ত্বকের অনুভূতিতে আর সতর্কতার তালিকায়।
ছোটখাটো কাটা-ছড়া ও শিশুদের ক্ষেত্রে
কাঁচা ক্ষত বা সংবেদনশীল ত্বকে সেভলন সাধারণত বেশি আরামদায়ক বলে ধরা হয়। বাজারে এটি ঝাঁঝহীন (নো-স্টিং) অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেই পরিচিত।
এছাড়া সেটিমাইডের ডিটারজেন্ট-গুণে ময়লা সরাতেও সুবিধা হয়। অন্যদিকে ডেটলের ফেনলিক উপাদান ও পাইন অয়েলের কারণে অনেকের কাছে এটি একটু ঝাঁঝালো লাগে। কাঁচা ক্ষতে হালকা জ্বালাও হতে পারে।
তবে একটা কথা সৎভাবে বলা দরকার। দুই পণ্যের ত্বকে জ্বালার সরাসরি তুলনামূলক গবেষণা আমরা খুঁজে পাইনি।
ঝাঁঝ কম-বেশির এই ধারণা মূলত পণ্যের বিবরণ ও ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা-নির্ভর। তাছাড়া দুটোর অফিশিয়াল লিফলেটেই ত্বকের প্রতিক্রিয়ার সতর্কতা আছে।
কাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা
সেভলনে
- নবজাতক ও অকালজাত শিশুর ত্বকে রাসায়নিক পোড়ার ঝুঁকি আছে। যুক্তরাজ্যের লেবেলে তাই সাবধানে ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
- ক্লোরহেক্সিডিন বা সেটিমাইডে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করবেন না। বিরল হলেও ক্লোরহেক্সিডিনে গুরুতর অ্যালার্জির (অ্যানাফাইল্যাক্সিসসহ) রিপোর্ট আছে।
- চোখ, কান, নাক ও মুখের কাছে ব্যবহার করবেন না। কানের ভেতরে সরাসরি পড়লে শ্রবণক্ষতির রিপোর্ট আছে।
- বারবার প্রয়োগ করলে বা ভেজা ড্রেসিং ক্ষতের ওপর রেখে দিলে ত্বক সংবেদনশীল হয়ে উঠতে পারে।
ডেটলে
- একজিমা বা অনুরূপ ত্বকের সমস্যায় ব্যবহার না করতে লিফলেটে বলা আছে।
- ক্লোরোজাইলেনল বা অন্য উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করবেন না। লিফলেটে সংবেদনশীলতা, ত্বকের বিবর্ণতা, কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস এবং প্রয়োগের জায়গায় পোড়াভাবের কথা উল্লেখ আছে।
- মার্কিন লেবেলে এক বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য ব্যবহার নিষেধ করা হয়েছে।
- বিড়ালের আশেপাশে ব্যবহার না করার পরামর্শ আছে। তাই বাড়িতে বিড়াল থাকলে বাড়তি সাবধান হোন।
ডাক্তারের কাছে কখন যাবেন
গভীর বা ছিদ্রকারী ক্ষত, পশুর কামড়, শরীরের বড় অংশজুড়ে ক্ষত কিংবা গুরুতর পোড়ায় ঘরোয়া অ্যান্টিসেপটিকের ওপর ভরসা করবেন না।
ক্ষতের চারপাশ লাল হয়ে ছড়ালে, পুঁজ জমলে, ব্যথা বাড়লে বা জ্বর এলে দেরি না করে চিকিৎসকের কাছে যান। আর যেটাই ব্যবহার করুন, প্রথম ধাপ একই: বহমান পরিষ্কার পানিতে ক্ষত ধুয়ে ময়লা সরিয়ে নেওয়া।
সেভলন ও ডেটল পাতলা করার সঠিক নিয়ম
সেভলন নাকি ডেটল, যেটাই বেছে নিন, দুটোই ঘন (কনসেনট্রেটেড) দ্রবণ। তাই সরাসরি ত্বকে লাগানো যাবে না। ডেটলের লেবেলে স্পষ্ট বলা আছে, অপাতলা অবস্থায় ত্বকে গুরুতর জ্বালা হতে পারে। সেভলনের ক্ষেত্রেও ঠিকমতো না মেশালে ত্বকে সমস্যা হতে পারে।
| ক্ষত পরিষ্কারের মিশ্রণ | সেভলন | ডেটল |
|---|---|---|
| লেবেল বা পণ্যতথ্যে যা আছে | ১ ভাগ সেভলন : ১৫ ভাগ পানি (বাংলাদেশি খুচরা তালিকা); যুক্তরাজ্যে ৩০ মি.লি. : ৫০০ মি.লি. পানি; দক্ষিণ আফ্রিকায় ৫ মি.লি. : ১০০ মি.লি. পানি | ১২.৫ মি.লি. : ২৫০ মি.লি. পানি |
| প্রায় অনুপাত | ১ : ১৫ থেকে ১ : ২০ | ১ : ২০ |
| সহজ হিসাব | ১ চা-চামচ (৫ মি.লি.) : ১০০ মি.লি. পানি | ১ চা-চামচ (৫ মি.লি.) : ১০০ মি.লি. পানি |
দেখা যাচ্ছে, ১ চা-চামচ ঘন তরলে ১০০ মি.লি. পানি মেশালে অনুপাত দাঁড়ায় ১ : ২০। এটি দুই পণ্যের লেবেলের সীমার মধ্যেই পড়ে।
ওষুধ মাপার কাপ বা সিরিঞ্জ থাকলে হিসাব আরও নির্ভুল হয়। তবে দেশ ও প্যাকভেদে নির্দেশনা বদলাতে পারে। তাই আপনার বোতলের গায়ে ছাপা নির্দেশনাই চূড়ান্ত।
ধাপে ধাপে ব্যবহারের নিয়ম
- হাত ধুয়ে নিন। এরপর ক্ষত বহমান পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে ময়লা ও জমাট রক্ত সরান। রক্ত বা ময়লা থাকলে সেভলনের কার্যকারিতা কমে যায়।
- পরিষ্কার পাত্রে আগে পানি নিন, তারপর মেপে ঘন তরল মেশান। আন্দাজে মেশাবেন না।
- তুলা বা জীবাণুমুক্ত গজ ভিজিয়ে আলতো করে ক্ষতের ওপর ও চারপাশে লাগান।
- ডেটলের মার্কিন লেবেল অনুযায়ী দিনে ১ থেকে ৩ বার লাগানো যায়, তবে এক সপ্তাহের বেশি নয় (ডাক্তার না বললে)। সেভলনের ক্ষেত্রেও বারবার প্রয়োগ এড়ানো ভালো।
- ব্যান্ডেজ করতে চাইলে আগে ক্ষত শুকাতে দিন। ভেজা ড্রেসিং ক্ষতের ওপর লাগিয়ে রাখবেন না।
পাতলা করার সময় যা কখনোই করবেন না
- অপাতলা অবস্থায় সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না।
- সাবান বা ডিটারজেন্টের সঙ্গে মেশাবেন না। সেভলন অ্যানায়নিক পদার্থের সঙ্গে বেমানান, তাই সাবানের উপস্থিতিতে এর কার্যকারিতা কমে।
- একই ক্ষতে দুটো অ্যান্টিসেপটিক মিলিয়ে বা পর পর ব্যবহার করার দরকার নেই। একটিই বেছে নিন।
- চোখ, কান, নাক ও মুখের কাছে ব্যবহার করবেন না। সেভলন চোখে ছিটকে গেলে খোলা চোখ অন্তত ১০ মিনিট পানি দিয়ে ধুয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডেটল চোখে গেলে ঠান্ডা পানিতে ভালোভাবে ধুয়ে ডাক্তারকে জানান।
- গিলে ফেললে মুখ ধুয়ে প্রচুর পানি বা দুধ খাওয়ান। তারপর বোতলটি সঙ্গে নিয়ে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যান।
- শিশুর নাগালের বাইরে রাখুন।
সেভলন নাকি ডেটল: এক নজরে তুলনা
| বিষয় | সেভলন | ডেটল |
|---|---|---|
| সক্রিয় উপাদান | ক্লোরহেক্সিডিন গ্লুকোনেট ০.৩% + সেটিমাইড ৩.০% (w/v) | ক্লোরোজাইলেনল (PCMX) ৪.৮% (w/v) |
| রাসায়নিক শ্রেণি | বাইগুয়ানাইড + কোয়াটারনারি অ্যামোনিয়াম | হ্যালোজেনযুক্ত ফেনল |
| কার্যপদ্ধতি | কোষপর্দা ও সাইটোপ্লাজমে আঘাত; সেটিমাইড ডিটারজেন্টের মতোও কাজ করে | কোষপর্দার প্রোটিনে যুক্ত হয়ে পর্দা ভাঙে, ভেতরের প্রোটিন ও এনজাইম অকেজো করে |
| জীবাণুর পরিসর | গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া; ছত্রাকের বিরুদ্ধেও কিছুটা | গ্রাম-পজিটিভে বেশি কার্যকর; Pseudomonas ও অনেক ছত্রাক তুলনামূলক প্রতিরোধী |
| ক্ষত পরিষ্কারের অনুপাত | ১ : ১৫ থেকে ১ : ২০ | ১ : ২০ |
| ত্বকে অনুভূতি | ঝাঁঝহীন বলে পরিচিত; বিরল ক্ষেত্রে জ্বালা বা অ্যালার্জি | তুলনামূলক ঝাঁঝালো; লিফলেটে কনট্যাক্ট ডার্মাটাইটিস ও পোড়াভাবের উল্লেখ |
| বিশেষ সতর্কতা | নবজাতকের ত্বকে রাসায়নিক পোড়া; কানে সরাসরি নয়; সাবানে বেমানান | একজিমা ও শুষ্ক ত্বক; এক বছরের কম বয়সী শিশু; বিড়াল |
সিদ্ধান্ত (Verdict): কার জন্য কোনটি ভালো
সেভলন নাকি ডেটল, এই প্রশ্নের একটি সাধারণ উত্তর আছে। ঘরোয়া ছোটখাটো কাটা-ছড়ায়, বিশেষ করে শিশু বা সংবেদনশীল ত্বকের জন্য, সেভলনই সাধারণত বেশি আরামদায়ক ও সহজ বিকল্প।
তবে ডেটলও সঠিক মাত্রায় পাতলা করলে লেবেল-অনুমোদিত ও কার্যকর। কোনোটিই সব ক্ষেত্রে সর্বজনীনভাবে সেরা নয়।
- সেভলন বেছে নিন, যদি ক্ষত কাঁচা বা ছড়ে যাওয়া হয়, ব্যবহারকারী শিশু হন, কিংবা ঝাঁঝ সহ্য না হয়।
- ডেটল বেছে নিন, যদি হাতের কাছে সেটিই থাকে, ত্বক শুষ্ক বা একজিমাগ্রস্ত না হয়, বাড়িতে বিড়াল না থাকে এবং ঠিকমতো ১ : ২০ মাপে মেশাতে পারেন।
- দুটোর কোনোটিই নয়, যদি সংশ্লিষ্ট উপাদানে অ্যালার্জি থাকে। ক্লোরহেক্সিডিন বা সেটিমাইডে অ্যালার্জি হলে সেভলন নয়, ক্লোরোজাইলেনলে অ্যালার্জি হলে ডেটল নয়। গভীর ক্ষত, পশুর কামড় বা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলেও সরাসরি চিকিৎসকের কাছে যান।
শেষ কথা: আসল বিষয় ব্র্যান্ড নয়। সঠিক মাত্রা, আগে পরিষ্কার পানিতে ধোয়া আর সময়মতো ডাক্তার দেখানোই সবচেয়ে জরুরি।
এই লেখা সাধারণ তথ্যের জন্য; এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
দুটোর সরাসরি তুলনামূলক গবেষণা আমরা খুঁজে পাইনি। তবে সেভলনের উপাদান গ্রাম-পজিটিভ ও গ্রাম-নেগেটিভ, দুই ধরনের ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেই কাজ করে। অন্যদিকে ক্লোরোজাইলেনল মূলত গ্রাম-পজিটিভের বিরুদ্ধে বেশি কার্যকর।
নবজাতক ও অকালজাত শিশুর ত্বকে সেভলন রাসায়নিক পোড়া ঘটাতে পারে। ডেটলের মার্কিন লেবেলে এক বছরের কম বয়সী শিশুর জন্য ব্যবহার নিষেধ। তাই ছোট শিশুর ক্ষতে আগে চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।
না। দুটোই ঘন দ্রবণ, তাই অপাতলা লাগালে ত্বকে গুরুতর জ্বালা বা পোড়া হতে পারে। বোতলের নির্দেশনা মেনে পানিতে মিশিয়ে নিন।
এর কোনো প্রয়োজন নেই। দুটোই অ্যান্টিসেপটিক, তাই একটিই বেছে নেওয়া ভালো। দুটো মিলিয়ে ব্যবহার করলে বাড়তি উপকারের কোনো প্রমাণ আমরা পাইনি।
তথ্যসূত্র
- Johnson & Johnson (Pty) Ltd. Savlon Antiseptic Liquid, Professional Information (দক্ষিণ আফ্রিকা, সংশোধন: ১৮ অক্টোবর ২০২১)। উপাদান, মাত্রা, কার্যপদ্ধতি, সতর্কতা ও সাবানের সঙ্গে বেমানান হওয়ার তথ্য।
- GlaxoSmithKline Consumer Healthcare (UK). Savlon Antiseptic Liquid, Label/Leaflet, PL 44673/0115 (যুক্তরাজ্য)। ব্যবহারবিধি এবং নবজাতকের ত্বকে রাসায়নিক পোড়ার সতর্কতা।
- Reckitt Benckiser Healthcare (UK) Ltd. Dettol Liquid, Patient Information Leaflet, emc (সংশোধন: জুলাই ২০২৪)। উপাদান, ১২.৫ মি.লি. : ২৫০ মি.লি. নির্দেশনা, একজিমা ও বিড়াল-সংক্রান্ত সতর্কতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
- Reckitt Benckiser (UK) Ltd. Dettol First Aid Antiseptic, US OTC Drug Facts label (FDA SPL, সংশোধন: জানুয়ারি ২০২৪)। ১ : ২০ অনুপাত, ব্যবহারের সীমা এবং এক বছরের কম বয়সী শিশুর সতর্কতা।
- ePharma Bangladesh. Savlon Antiseptic Liquid, পণ্যতালিকা। বাংলাদেশি বাজারে উল্লিখিত ১ : ১৫ অনুপাত (এটি খুচরা তালিকা, নিয়ন্ত্রক-অনুমোদিত লেবেল নয়)।











