নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তবে তারা বিমানের কোন পদে কর্মরত তা এখনো জানা যায়নি।
আজ শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা যায়।
এদিকে প্রশ্নফাঁসে বিমানের কর্মী জড়িত কিনা জানতে চাইলে বিমানের এমডি ও সিইও মো. যাহিদ হোসেন বলেন, আমি ঠিক জানি না এখনো। গোয়েন্দারা তদন্ত করছেন। এটি একটি ফৌজদারি অপরাধ, এতে কোনো বিমানকর্মী জড়িত থাকলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে আজ দুপুর ২টার দিকে প্রশ্নফাঁস হওয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১০০ জন ড্রাইভারসহ ১০ পদে জনবল নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। প্রশ্নফাঁস হওয়ায় পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে স্থগিতের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানান বিমানের এমডি যাহিদ হোসেন।
অন্যদিকে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে স্থগিতের ঘোষণা আসায় ক্ষুব্ধ হয়ে উত্তরায় পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।
জানা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স জুনিয়র অপারেটর জিএসই (ক্যাজুয়াল), জুনিয়র টেইলর কাম আপহোলস্টার, প্রি-প্রেস অ্যাসিস্ট্যান্ট, জুনিয়র এয়ারকন মেকানিক, জুনিয়র ওয়েল্ডার জিএসই, জুনিয়র পেইন্টার জিএসই, জুনিয়র মেকানিক (টায়ার) জিএসই, জুনিয়র এমটি মেকানিক, জুনিয়র মেকানিক জিএসই (ক্যাজুয়াল) এবং জুনিয়র ইলেকট্রিশিয়ান জিএসই (ক্যাজুয়াল) পদের নিয়োগের জন্য আজ পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত ছিল।
বিকেল সাড়ে ৩টায় উত্তরার ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৪ নম্বর সেক্টরের নওয়াব হাবিবুল্লাহ মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে জুনিয়র অপারেটর জিএসই (ক্যাজুয়েল) প্রার্থীদের নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। নিয়োগ প্রার্থীরা দুপুর ১টার দিকে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। তবে ২টার দিকে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেয় বিমান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোর সামনেই বিক্ষোভ শুরু করেন নিয়োগ প্রার্থীরা।
পরীক্ষা স্থগিতের বিষয়ে বিমানের এমডি ও সিইও যাহিদ হোসেন বলেন, আমরা পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই স্থগিত করেছি। ২টার সময়ই স্থগিতের ঘোষণা করা হয়েছে। যেহেতু একটা সন্দেহ আছে, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে, তাই স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী পরীক্ষার তারিখ মেসেজ দিয়ে জানানো হবে।
সূত্রঃ কালবেলা








