বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইম লাইটে ‘জওয়ান’ (Jawan)। বাংলাদেশ ভারত, এমনকী বিদেশেও শাহরুখ খানের (Shah Rukh Khan) সিনেমা দেখতে দলে দলে হল ভরাচ্ছেন ভক্তরা।
ইতিমধ্যেই হিন্দি সিনেমার জগতে বক্স অফিসে মাইলস্টোন তৈরি করা পারফরম্যান্স এই ছবির। আর ‘জওয়ান’ যখন বিজয়রথ ছোটাচ্ছে, ঠিক তখনই সেই সিনেমার বিরুদ্ধে নকলের অভিযোগ এল! এক দক্ষিণী ছবির সঙ্গে অ্যাটলির সিনেমার সাদৃশ্য খুঁজে পেল নেটপাড়ার একাংশ।
প্রসঙ্গত, মাত্র দু’ দিনেই গোটা বিশ্বে ২০০ কোটি টাকা আয় করে ফেলেছে ‘জওয়ান’। এমন গগনচুম্বী সাফল্য নিয়ে যখন শাহরুখ অনুরাগীরা মাতামাতি করছেন, তখন একাংশের দাবি, এই সিনেমা আশির দশকের এক তামিল ছবির গল্পের নকল। ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া ‘থাই নাড়ু’ সিনেমার (Thaai Naadu) সঙ্গে নাকি শাহরুখ খানের ‘জওয়ান’-এর প্রচুর মিল রয়েছে।

নেটপাড়ার একাংশের দাবি, ‘থাই নাড়ু’ সিনেমাতে যেমন দক্ষিণী অভিনেতা সত্যরাজের ডবল রোল ছিল, ঠিক তেমনই ‘জওয়ান’-এও শাহরুখ খানকে দ্বৈত সত্ত্বায় দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, সত্যরাজের চরিত্রের সঙ্গেও নাকি কিং খানের ‘জওয়ান’ রোলের মিল রয়েছে। কেউ কেউ তো আবার ১৯৮৯ সালের ‘থাই নাড়ু’ সিনেমার পোস্টার শেয়ার করে লিখেছেন- “এটা হচ্ছে জওয়ান অরিজিনাল তামিল ভার্সন।” আবার অনেকে এমন চমকে দেওয়া তথ্য দেখে ‘জওয়ান’ সম্পর্কে হতাশা প্রকাশ করেছেন। কারও কারও আবার দাবি, “বহু দক্ষিণী ছবি থেকে ‘টোকা’ হয়েছে ‘জওয়ান’ ছবির প্লট।”
প্রসঙ্গত, এই অবশ্য প্রথমবার নকল করার অভিযোগ ওঠেনি পরিচালক অ্যাটলি কুমারের বিরুদ্ধে। এর আগেও ২০১৯ সালে তাঁর পরিচালিত ‘বিজিল’ ছবির বিরুদ্ধেও ‘টুকলি’র অভিযোগ উঠেছিল। তেলুগু পরিচালক নন্দী চিন্নি রেড্ডি দাবি করেছিলেন, তাঁর ‘স্লাম সসার’ ছবি থেকে ‘বিজিল’-এর প্লট নেওয়া।

তারও আগে ২০১৭ সালে থালাপতি বিজয় ও সামান্থা রুথ প্রভু অভিনীত অ্যাটলির ছবির বিরুদ্ধে রজনীকান্তের ‘মুন্দ্রু মুগাম’ সিনেমার নকলের অভিযোগ ওঠে। ২০১৬ সালে অ্যাটলির ‘ঠেরি’ ছবিটি নিয়েও বিতর্ক হয়েছিল। অনেকেই দাবি করেছিলেন, সেই ছবিটিও নাকি বিজয়কান্তের ‘ছাত্রিয়ান’ ছবির নকল। এবার ‘জওয়ান’-এর সময়েও সেই একই অভিযোগে বিদ্ধ হলেন অ্যাটলি কুমার।
সূত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন








