Home আন্তর্জাতিক “ট্রিগারে আঙুল রেখে শত্রুকে জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি”: আইআরজিসি’র কঠোর হুঁশিয়ারি

“ট্রিগারে আঙুল রেখে শত্রুকে জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত আছি”: আইআরজিসি’র কঠোর হুঁশিয়ারি

16
0
আইআরজিসি হুঁশিয়ারি (IRGC warning)
Collected

ইরানের সেনাবাহিনী দিবসকে সামনে রেখে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে ইসলামী বিপ্লবের প্রথম দিনগুলোতে অভ্যন্তরীণ প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি ও বিদেশি শত্রুদের ‘সেনাবাহিনী বিলুপ্তি’র ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার কথা স্মরণ করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপটে মহান বিপ্লবের স্থপতি হজরত ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর ঐতিহাসিক ও ভাগ্যনির্ধারণী নির্দেশে সেনাবাহিনী দেশের নিরাপত্তা ও শক্তির অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছে।

গত ৪৭ বছরে বিপ্লবী চেতনা, ৮ বছরের পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধের (ইরান-ইরাক যুদ্ধ) মূল্যবান অভিজ্ঞতা এবং দেশীয় জ্ঞান-প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সেনাবাহিনী “জাতির অটুট দুর্গ” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

সেনাবাহিনী ও আইআরজিসি’র ঐক্যের ওপর জোর

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইসলামী বিপ্লব ও ইরানের জনগণের ঐতিহাসিক স্মৃতি সাক্ষ্য দেয়— দেশের স্বাধীনতা, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর উজ্জ্বল ও গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে।

অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সাথে—বিশেষ করে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)-এর সাথে—ঐক্য ও সমন্বয়ের মাধ্যমে জাতীয় প্রয়োজন পূরণে তাদের কার্যক্রমকে ইরানি জনগণের “শক্তিশালী বাহু” হিসেবে গণ্য করা হয়।

এটি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের আধুনিক প্রতিরক্ষা কাঠামোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য বলে বিবৃতিতে অভিহিত করা হয়েছে। এই সাফল্য বিপ্লবের শহীদ নেতা ইমাম খোমেনীর প্রজ্ঞাপূর্ণ চিন্তা, নেতৃত্ব ও বিজ্ঞ দিকনির্দেশনায় বাস্তবায়িত হয়েছে।

প্রেক্ষাপট

ইরানে প্রতি বছর ১৮ এপ্রিল (২৯ ফারভার্দিন) সেনাবাহিনী দিবস পালন করা হয়। এ বছর দিবসটি এমন এক সময়ে আসছে যখন দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যুদ্ধবিরতি নিয়ে সংলাপের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা চলমান রয়েছে।

আইআরজিসি’র এই বিবৃতি সেনাবাহিনী ও বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মধ্যে ঐক্য ও সমন্বয়ের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে, যা ইরানের প্রতিরক্ষা কাঠামোর মূল ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

আপডেট: পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল। সেনাবাহিনী দিবস উপলক্ষে আরও কোনো কর্মসূচি বা বিবৃতি প্রকাশিত হলে আমরা সঙ্গে সঙ্গে জানাব।

(সূত্র: ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও আইআরজিসি’র অফিসিয়াল বিবৃতি)