দুই দোকান কর্মচারির ঝগড়ায় একজনের পক্ষ হয়ে যারা নিউ মার্কেটে মারামারিতে জড়িয়েছিলো তাদের তিনজনকে চিহ্নিত করা গেছে। তারা মারামারি করতে গিয়ে এক পর্যায়ে নিজেরাই মার খেয়েছিল। পরে ক্যাম্পাসে গিয়ে ছাত্রদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে ক্ষেপিয়ে তোলে। হেলমেট পরা অনেকেও নিউমার্কেট এলাকায় ভাংচুর করে। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার ফুটেজে ধরা পড়েছে সে সব চিত্র।
তারা হলেন- ঢাকা কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী নাসিম, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের লিটন ও পদার্থবিদ্যা বিভাগের আবদুল্লাহ আল মাসউদ।
তারা তিনজনই ২০১৬-২০১৭ সেশনের শিক্ষার্থী এবং শহীদ মো. ফরহাদ হলের ছাত্র। হামলার সময় ক্যাপিটাল ফাস্টফুডের কর্মী বাবু ও কাওসারের ছুরিকাঘাতে নাসিম ও লিটন আহত হন।
যমুনা টিভির প্রতিবেদনে উঠে আসে সেসব, ভিডিও দেখুন নীচে–
এর আগে সোমবার ইফতারের সময় টেবিল পাতা নিয়ে নিউমার্কেটের ৪ নম্বর গেটের ওয়েলকাম ফাস্টফুডের কর্মচারী বাপ্পীর সঙ্গে অন্য ফাস্টফুড দোকান ক্যাপিটালের কর্মচারী কাওসারের বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জেরে বাপ্পী ও তার সহকর্মী সজীবের ডাকে ক্যাপিটাল ফাস্টফুডের কর্মীদের শায়েস্তা করতে ছুটে আসেন ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগের তিনকর্মী ব্যবস্থাপনা বিভাগের নাসিম, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের লিটন ও পদার্থবিদ্যা বিভাগের আবদুল্লাহ আল মাসউদ। এই তিনজনের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজের কিছু শিক্ষার্থী ক্যাপিটাল ফাস্টফুডের কর্মীদের মারধর শুরু করেন।
একপর্যায়ে ক্যাপিটাল ফাস্টফুডের কর্মীরা নিজেদের দোকানের ছুরি, চাকু নিয়ে পাল্টা হামলা চালান। এরপর আহত হয়ে পালিয়ে যায় ঢাকা কলেজ থেকে আসা দলটি। তবে তারা কলেজের আরও ছাত্রদের নিয়ে এসে নিউমার্কেটে ফের হামলা চালায়।
ক্যাপিটাল ফাস্টফুডের কর্মী কাওসার ও ওয়েলকাম ফাস্টফুডের কর্মী বাপ্পীর বাসা রাজধানীর রায়েরবাজার এলাকায়। ঘটনার পর থেকে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না এবং মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।
সূত্রঃ ভোরের কাগজ










