“গরু পাইলা পাপ কইরা ফালাইসি। যে গরু বাড়ীতেই ৫/৬ লাখ দাম উঠেছে সেটা ঢাকায় হাটে আনার পর ক্রেতারা ২/৩ লাখ বলছেন। ”
ঈদকে সামনে রেখে প্রস্তুত কোরবানির পশুর হাট, এসেছে অনেক গরু কিন্তু নেই ক্রেতা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ট্রাকে করে রাজধানীর ডিয়াবাড়ী হাটে আসছে গরু।
বৃহষ্পতিবার (৭ জুলাই) রাজধানীর উত্তরার ডিয়াবাড়ী পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে গরু-ছাগল নিয়ে বসে আছেন। অনেক বিক্রেতা হতাশ, কেউ কেউ আবার ক্ষিপ্ত।
দেখুন ভিডিও..
ডিয়াবাড়ী কুরবানীর পশুর হাটে ঢুকতেই কথা হয় জামালপুর থেকে আসা ব্যাবসায়ী মোঃ সোহেল এর সাথে। তিনি ১৬টি গরু নিয়ে আসছিলেন, রিপোর্ট করা অবস্থায় একটা গরু ছিলো অবশিষ্ট। তিনি আনা নেওয়ার ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান।
ইশ্বরদি থেকে ১৩টি গরু নিয়ে আসা এক ব্যবসায়ী জানান, আজকেই তিনি এসেছেন এখনও বিক্রী হয়নি।
হাসিল কর্তৃপক্ষের একজন কর্মকর্তা বলেন গরুর দাম কিছুটা বেশী, ক্রেতা অনেক কম।
কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায় গরু বিক্রেতারা দাম হাতে রেখে বেশী দাম চাচ্ছেন। হাটে অনেকেই পরিবার নিয়ে এসেছেন, বড়দের সাথে এসেছে ছোটরাও।
ডিয়াবাড়ী কুরবানীর পশুর হাট ঘুরে আরো দেখা যায় মাস্ক পড়ার অনীহা। স্বাস্থ্যবিধীর কোন বালাই নেই। মাস্ক পড়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন।
একজন গরু বিক্রেতা ক্ষুব্ধ কন্ঠে বলেন কি যে পাপ করেছি হাটে গরু এনে। কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান যে গরু- বাড়ীতেই ৫/৬ লাখ দাম উঠেছে সেটা ঢাকায় হাটে আনার পর ক্রেতারা ২/৩ লাখ বলছেন। “গরু পাইলা পাপ করেছি”।
নিজস্ব প্রতিবেদন







