Home গদ্য-পদ্য মোশতাক বেঈমান! – মৃদুল আহমেদ

মোশতাক বেঈমান! – মৃদুল আহমেদ

335
0
যেই ব্যাটা বেঈমান,
ইতিহাসে তার কোনো
নেই মান…

পৃথিবীকে করে গেছে গান্ধা!

ছড়াকার- মৃদুল আহমেদ
ওর নামে প্রতিদিনই
লাখো গালি বান্ধা…!
নবাবি আমল থেকে
গালি খেত
শুধু মীরজাফরে,
মোশতাক এলে পরে
বাঙালি পড়ে গেল ফাঁপড়ে…
মীরজাফরের স্থান
দখল সে করে নিল পুরোটা,
পানি না ছুঁয়েও মাছ
ধরে ভেজে খেয়ে নিল মুড়োটা…
হারামি সে মোশতাক বুড়োটা!
চোদ্দ আগস্টেও
ভাবেসাবে মুজিবের ভক্ত…
পরদিনই হাতে মেখে মুজিবের রক্ত
ক্ষমতার মসনদ
করেছিল শক্ত!
বঙ্গবন্ধু যেই হারালেন
জনককে রাত্রে…
সেটা শোনামাত্রে
মোশতাক পারে না তো হাঁটিতে!
কেঁদে কেঁদে গড়াগড়ি
খায় শুধু মাটিতে!
সান্ত্বনা দেয় যদি কেউ…
মোশতাক আরো বেশি
কাঁদে ভেউ ভেউ!
হাঁসের মাংস কষে রাঁধিয়া…
বত্রিশ নম্বরে
হাঁড়ি নেয় বাঁধিয়া!
ভাবতেই ভরে মন
ঘৃণা আর কষ্টে–
এই কাজ করেছে সে
চোদ্দ আগস্টে!
বঙ্গবন্ধু যদি জানত…
মোশতাক সেজে থাক
যত ভ্যাবাকান্ত–
পাকিদের পা চোষায়
দেয় নি সে ক্ষান্ত!
বহুদিন থেকে তলে তলে…
লোকটা আসলে ছিল
পাকিদেরই দলে!
প্রেসিডেন্ট হয়ে তবু
পায় নি তো
ব্যাটা কোনো আরামই…
দুই মাস মজা মেরে
তিন সাল জেলে বসে
পচেছে সে হারামি!
মীরজাফরের কাছে পীর সে,
বেঈমানি শিল্পে
মোশতাকই সবচেয়ে শীর্ষে!
মোশতাক যে জাতের–
বঙ্গবন্ধু নয়,
চিরকালই পিতা ওর জিন্না,
মোশতাক তোর নামে…
ঘিন্না!
ঘিন্না!
ঘিন্না!
(আজকের ছড়াটা উৎসর্গ করলাম আমাদের অগ্রজপ্রতিম সাংবাদিক, লেখক, কবি Zafar Wazedকে, যাঁর মূল্যবান ঐতিহাসিক সব পোস্টের মারফত আমরা পরবর্তি প্রজন্ম অনেক জেনেছি, শিখেছি, আজও শিখে চলেছি!
জাফর ভাই আমাদের অনেকেরই জীবনের মাইলফলক। ভাবতেও বিস্মিত এবং আনন্দিত লাগে যে আমাদের প্রজন্ম তাঁর মতো মানুষের সান্নিধ্য পেয়েছে!) – – মৃদুল আহমেদ