Home আমার ঢাকা মেট্রোরেলের ছাদে কীভাবে উঠলো শিশুটি? ঘটনার বর্ণনা দিলেন ডিএমটিসিএল এমডি

মেট্রোরেলের ছাদে কীভাবে উঠলো শিশুটি? ঘটনার বর্ণনা দিলেন ডিএমটিসিএল এমডি

176
0
মেট্রোরেলের ছাদে
ছবি: সংগৃহীত

রোববার রাত আটটার দিকে ঢাকা মেট্রোরেলের ছাদ থেকে একটি শিশুকে উদ্ধার করা হয়। মেট্রোরেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) ও এমআরটি পুলিশের তৎপরতায় শিশুটিকে উদ্ধারের পর শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সোমবার ডিএমটিসিএলের হেডকোয়ার্টার দিয়াবাড়িতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ শিশুটির ট্রেনের ছাদে ওঠার ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।

ডিএমটিসিএল এমডি জানান, শিশুটি সম্ভবত শাহবাগ বা তার আশপাশের কোনো স্টেশন থেকে মেট্রোরেলে ওঠে। সে আগারগাঁও স্টেশনে নামার পর ট্র্যাক পার হয়ে মতিঝিল অভিমুখী ট্র্যাকে চলে যায়। সেখানেই মতিঝিলের দিকে আসা একটি ট্রেনের দুটি বগির সংযোগস্থলের কোনো একটি ফাঁক দিয়ে সে ছাদে উঠে পড়ে।

ফারুক আহমেদ বলেন, “শিশুটির কাওরানবাজার বা অন্য কোনো জায়গা থেকে উঠে আগারগাঁওয়ে আসে। সেখান থেকে নেমে সে ডান দিকে না গিয়ে দুটো ট্রেনের সংযোগস্থলের কোনো একটি জায়গা দিয়ে অপর পাশে চলে যায়। ওপাশ দিয়ে সেকেন্ডারি ট্রেন আসলে সে দুটো বগির ফাঁক দিয়ে উঠে যায়।”

নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় লাইন বন্ধ করে তল্লাশি

ফারুক আহমেদ আরও বলেন, শিশুটি ছাদে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই নিরাপত্তা কর্মীরা বিষয়টি জানতে পারেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে পুরো লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, “তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেন বন্ধ করে দেয়া হয়। কারণ আরও কয়জন কীভাবে আছে আমরা কেউই জানি না। দুই থেকে তিন ঘন্টা ধরে আমরা পুরো লাইনে পরীক্ষা করেছি। মানুষজন বলেছিলো আরও দুই থেকে তিনজন ছিলো। ওটার উপর ভিত্তি করে আমরা ট্রেন চালাতে পারিনা।”

পরের দিন সকালেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক তল্লাশি চালানো হয়। এমডি বলেন, “সকালবেলা সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গেও আমরা পুরো ট্র্যাক ফিজিক্যালী চেক করি, যাতে কেউ লুকিয়ে আছে কিনা, অথবা কেউ কোনো কিছু করতে চাইছে কিনা।”

ডিএমটিসিএল এমডি স্বীকার করেন, মেট্রোরেল বর্তমানে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে এবং অপারেশন স্বাভাবিক রাখতে তারা সব ধরনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, গণমাধ্যমকে এই ঘটনা বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো তথ্য জানানো হয়নি, যাতে জবাবদিহির মাধ্যমে নাগরিকদের মধ্যে কোনো ভুল বার্তা না যায় বা তারা অযথা ভয় না পান।

সূত্রঃ মানবজমিন