গত এক সপ্তাহের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যমতে মহামারি করোনাভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। সারা দেশে হঠাৎ করে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় করোনা প্রতিরোধে ভ্যকসিন প্রয়োগ কার্যক্রম চলমান অবস্থায় ফের প্রাদুর্ভাব বাড়ায় শঙ্কা বেড়েছে সরকারের। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া বইমেলা যেকোনো সময় স্থগিত করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, ‘আগে জীবন। যদি কোভিডের সংক্রমণ পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যায় যে, মেলা চালানোর মতো আর সুযোগ না থাকে, সেক্ষেত্রে আমাদের নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।’
মঙ্গলবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘মহামারিকে আমন্ত্রণ জানানো যাবে না। সেক্ষেত্রে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। তখন অপ্রিয় হলেও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। তবে প্রার্থনা করছি, সংক্রমণ পরিস্থিতি যেন সে পর্যায়ে না যায়।’
বৃহস্পতিবার বইমেলার উদ্বোধন উপলক্ষে মঙ্গলবার এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এর আগে, এবারের বইমেলায় প্রকাশকদের ওপর হামলার কোনো হুমকি নেই বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) কৃষ্ণ পদ রায়।
মঙ্গলবার সকালে বইমেলার অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘অতীতের ঘটনা মাথায় রেখেই আমরা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করেছি। কেউ অপরাধমূলক কাজ করছে কি না সে ব্যাপারে আমরা নজরদারি করছি। যথাসময়ে তথ্য পেলে আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তবে মানুষের অনুভূতিতে আঘাত দেয় এমন বই প্রকাশ হচ্ছে কি না সেটাও আমরা খোঁজ রাখছি।’
যদিও করোনা পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনেই নেওয়া হচ্ছে অমর একুশে বইমেলার প্রস্তুতি। তারপরও পরিস্থিতির উপর বিবেচনা হচ্ছে আয়োজনটি নিয়ে। সোমবার বাংলা একাডেমিতে মেলা নিয়ে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে এমনটাই জানিয়েছিলেন আয়োজক কর্তৃপক্ষ।
সূত্রঃ প্রতিদিনের সংবাদ







