Home দুর্নীতি ইন্টারন্যাশনাল লিজিং দুর্নীতি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর ব্যবস্থা

ইন্টারন্যাশনাল লিজিং দুর্নীতি: বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর ব্যবস্থা

197
0

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখা ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স সার্ভিসেস লিমিটেডের (আইএলএফএসএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মশিউর রহমান, সাবেক মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. জসিম উদ্দিন খানসহ দায়ী সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, সাবেক শিক্ষা সচিব এন আই খান আইএলএফএসএলের চেয়ারম্যান থাকাকালে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

২০২৫ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা এবং দুদক আইনে একাধিক মামলা বিচারাধীন। এসব অনিয়মের প্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৫ সালের ২২ জানুয়ারি সাবেক এমডি মশিউর রহমানের দায়িত্বকালীন সময়ে প্রতিষ্ঠানের বা আমানতকারীর স্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততা ছিল কি না—এ বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।

পরে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আলমগীরের তত্ত্বাবধানে ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে প্রতিবেদন জমা হয়। তদন্তে এন আই খানের নেতৃত্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ এবং কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ মেলে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন—সাবেক এমডি মশিউর রহমান, সাবেক মানবসম্পদ প্রধান জসিম উদ্দিন খান, সিএফও আবু বকর সিদ্দিক, সাবেক কোম্পানি সচিব আসাদুজ্জামান, চুক্তিভিত্তিক কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট শিহাবুর রহমান এবং লায়াবিলিটি অপারেশন বিভাগের প্রধান সাহানা আক্তার সীমা। তদন্তে উঠে আসে, এরা যৌথভাবে প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির অভয়ারণ্যে পরিণত করেছিলেন।

তবে অনিয়মের স্পষ্ট প্রমাণ থাকার পরও কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। বরং হাইকোর্ট কর্তৃক নবনিযুক্ত পরিচালনা পর্ষদের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত কার্যকর না করে তাদের আগের পদেই বহাল রাখা হয়।

অবশেষে ২০২৫ সালের ৬ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংক নিজ উদ্যোগে সকল দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করে।

–নিউজ ডেস্ক