রংপুর সিটি করপোরেশনে বড় ধরনের কোনো ঝামেলা ছাড়াই ইভিএমের মাধ্যমে দিনভর রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়েছে। এখন ফলাফল অপেক্ষায় রয়েছেন প্রার্থীরা।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে আসতে শুরু করেছে নির্বাচনী ফলাফল। ২২৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৯টি কেন্দ্রের ফলাফল বেসরকারিভাবে এসেছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
১২৯টি কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে লাঙল ৭৭ হাজার শত ৫৯৭ ভোট পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হাতি ১৮ হাজার ১৯৯ ভোট ও নৌকা ১২ হাজার ৮৬৯ ভোট পেয়েছে। এছাড়া জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) শফিয়ার রহমান ৩ হাজার ২৯ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল ২৭ হাজার ২৮৮ ভোট, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল রাজু ১ হাজার ৩৩৪ ভোট, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম খোকন ৩ হাজার ১৭ ভোট, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির আবু রায়হান ৫ হাজার ৫৪৯ ভোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেহেদী হাসান বনি ১ হাজার ৪৮০ ভোট পেয়েছেন।
রংপুর সিটি করর্পোরেশনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ২৬ হাজার ৪৭০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ১২ হাজার ৩০২ এবং নারী ২ লাখ ১৪ হাজার ১৬৭ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার একজন। ২২৯টি কেন্দ্রের বুথ সংখ্যা ১ হাজার ৩৪৯টি।
এদিকে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি সন্তোষজনক জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করছি। ট্যাবের মাধ্যমে কক্ষে কক্ষে মনিটরিং করছি। ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সুন্দরভাবে নির্বাচনটা পর্যবেক্ষণ করছি।
মেয়র পদে জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) শফিয়ার রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল রাজু, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম খোকন, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির আবু রায়হান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেহেদী হাসান বনি ও লতিফুর রহমান মিলন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়া সংরক্ষিত ১১টি ওয়ার্ডে ৬৮ এবং ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৮৩ জন কাউন্সিলর প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
সূত্রঃ ইত্তেফাক








