Home ভ্রমণ কথা মেঘের দেশ দার্জিলিং…

মেঘের দেশ দার্জিলিং…

573
0
ছবি- মোহাম্মদ মহসীন

কাজ করতে করতে যন্ত্রে পরিণত হয়ে যাচ্ছি।  দূরে কোথাও প্রকৃতির সান্নিধ্যে যাবার ইচ্ছে করছিলো। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম, কাঞ্চনজঙ্ঘায় যাবো, অর্থাৎ মেঘের দেশ দার্জিলিং যাবো।

অনেক ইচ্ছে ছিলো, যাই যাই করে আর যাওয়া হচ্ছিল না। ভারতীয় ভিসার আবেদন করলাম। এরই মধ্যে কয়েকজন বন্ধুকে বললাম কিন্তু কেউই বিভিন্ন  সমস্যার চাপে যেতে রাজী হলো না। কি আর করা একা যেতে হলো।

ভারতীয় ভিসা নিয়ে, শ্যামলী এসি বাসের টিকেট কেটে ফেললাম। ২০১২সালের জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে রওনা হলাম। রাত নটার দিকে বাস ছাড়লো। প্রচুর কুয়াশা ছিলো রাতে। ভোর ৬টার দিকে বুড়িমাড়ি সীমান্তে পৌছে গেলাম। গিয়ে শুনি সকাল ৯টায় বর্ডার খুলবে, এতোক্ষন বসে থাকতে হবে। এমনিতেই আর তর সইসে না কখন পৌছাবো দার্জিলিং। এই নিয়ে ভারত ভ্রমণ ৩ বার, তবে দার্জিলিং প্রথম যাচ্ছি। ৯টায় বর্ডার গেট খোলার পর প্রায় ১-২ঘন্টা সময় লাগলো দুদেশের ইমিগ্রেশনের যাবতীয় দরকারী কাজ শেষ করতে। এরই মধ্যে বর্ডার থেকেই ডলার কে রুপিতে রুপান্তরীত করে নিলাম।

বর্ডার এর কাজ শেষ করে রওনা দিলাম, প্রায় ২ঘন্টা পর পৌছে গেলাম শিলিগুড়ি বাস স্ট্যান্ড। পথে পরিচয় রুবেল এবং তাহাজ্জুদ নামক দুজন তরুনের সাথে, কথা বলতে বলতে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরী হয়ে গেল। তারাও ঢাকায় থাকে, পেশায় ছাত্র। কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে দুপুরের খাওয়া সেড়ে উঠে পড়লাম দার্জিলিং যাওয়ার জীপে। জন প্রতি ভাড়া ১০০রুপি। আমরা ৩জন একসাথে বসে আছি, জীপ যখন দার্জিলিং এর পাহাড়ী রাস্তা দিয়ে উঠতে শুরু করলো তখন অভিভূত হয়ে দেখতে লাগলাম। অসম্ভব সুন্দর সেই দৃশ্য যা আমি ঠিক মতো বর্ণনা করতে পারবো না, কবি বা সাহিত্যিক হলে হয়তো ভাষাশৈলী দিয়ে কিছুটা বোঝাতে পারতাম। আসলে এই দৃশ্য বলে বোঝাবার নয়, শুধুই দেখার আর উপলব্ধি করার।

খাড়া পাহাড় বেয়ে জীপ ছুটে চলছে। আমাদের জীপ শুধু উপরে উঠছেই তো উঠছেই। পাহাড় আর শেষ হচ্ছে না, নয়নভরে দেখছি আর ক্যামরায় ক্লিক করছি। সবচেয়ে মনোমুগ্ধকর যেটি তা হলো যত উপরে উঠছি আর তত কুয়াশার প্রকোপ বাড়ছে, প্রথমেই তাই ভাবলাম পরে বুঝলাম এ সবই মেঘ। শরীরে মেঘ আলতো করে ছোঁয়া দিয়ে যাচ্ছে। ড্রাইভার কে বলে গাড়ী থামিয়ে মেঘ কে আলিঙগন করে নিলাম। পাহাড়ের খাড়া রাস্তার পাশে ছোট ছোট  ঘড়-বাড়ি । অনেকদূর উঠার পর দেখা গেল দার্জিলিং শহর আমাদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে, যত উপরে উঠছি ততই ঠান্ডার প্রকোপ বাড়ছে। এক সময় পৌছে গেলাম দার্জিলিং শহরে। পৌছতে পৌাছতে রাত ৭.৩০টা বেজে গেল। দার্জিলিং এর রেল স্টেশনে আমাদের নামিয়ে দিল। এবার হোটেল খোজাঁর পালা, হাটঁছি আর দেখছি। রাস্তার পাশে দোকানপাট, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন খাড়া রাস্তা, কোন রিক্সা বা গাড়ী নেই, পরিপাটি করে সাজানো। একদিকে আনন্দ পাচ্ছি, আরেকদিকে অনেক কষ্ট হচ্ছে কারণ বড় ব্যাগ নিয়ে হেটে উপরে উঠা কষ্টকর।

দার্জিলিং এর একটা বিষয় সবাইকে বলে রাখি রাত আটটার পর এখানকার সব দোকান বন্ধ হয়ে যায় এবং কোন রিক্সা নেই শহরের ভেতর হেটেঁ চলতে হবে। রাত বাড়ছে তাই বেশী ঘোরাঘুরি না করে একটা হোটেলে উঠে পড়লাম। প্রচন্ড শীত পড়েছে, পানিতে হাত দেয়া যায় না, যে হোটেলে উঠেছি সেটাতে নাই পানি গরম রাখার ব্যাবস্থা, নাই রুম হিটার। কি আর করা সিদ্ধান্ত নিলাম সকালে হোটেল পরিবর্তন করবো।

ফ্রেশ হয়ে বের হোলাম রাতের খাবার এর জন্য। একটি ছোট্টখাবার দোকান থেকে রাতের খাবার খেয়ে নিলাম। কিছুক্ষন ঘুরে হোটেলে ফিরে আসলাম। কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম। তবে ঘুমটি ভালো হলো না কারণ আমার সাইনাস এর সমস্যা আছে, যা হঠাৎ প্রচুর ঠান্ডাতে মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো। কষ্ট করে রাত পার করলাম।

সকালে উঠে বের হয়ে নাস্তা সেড়ে নিলাম। তারপর বের হলাম হোটেল খুজতে। মিষ্টি রোদ ভালই লাগছে। পরিস্কার রাস্তা।  ধুলো বালির কোন চিহ্নও পেলাম না। দার্জিলিং এর ম্যাল এলাকায় সবাই বসে চা/কফি খাচ্ছে। ম্যাল থেকে একটু দূরেই শেষ প্রান্তে একটি হোটেল খুজে পেলাম নাম-হোটেল সাইলুং, এক কথায় চমৎকার হোটেল। পরিপাটি করে সাজানো। কাঠের তৈরী ৪তলা হোটেল। এখানে একটা মজার ব্যপার বলি যা আমার কাছে নতুন, তাহলো বেশীর ভাগ হোটেল নীচের দিকে। অর্খ্যাৎ রিশিপশন থেকে ১তলা ২তলা হিসেবে নীচের দিকে নামতে হবে। কারণ এসব হোটেল পাহাড়ের পাড় ঘেষে তৈরী। এই হোটেলের আরেকটি ব্যাপার যে কারণে বেশী পছন্দ হয়েছিল তা হলো জানালা খুললেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। নিয়ে নিলাম হোটেল এর নীচ তলার রুম। ভাড়া পড়লো ১০০০রুপি প্রতি রাত। সবকিছু ঠিক করে বেড়িয়ে পড়লাম শহর দেখতে।

ম্যাল এলাকার পাশেই অবস্থিত মহাকাল মন্দির। মন্দির যেতেই রাস্তায় দেখা মেলল বেশ কয়েকটি বানর। মনের সুখে কেউ ফল খাচ্ছে, কয়েকটি শিশু বানর দেখলাম তারা তাদের মায়ের দুধ খাচ্ছে।ক্যামেরায় কয়েকটি ছবি তুললাম। এবার এর মন্দির উঠার সিড়ি দিয়ে উঠছি।এটি মহাকাল মন্দির। অনেক লোকজনের ভিড়, তারা সবাই প্রার্থনা করতে এসেছেন মন্দিরে। মন্দির ঘুরতে ঘুরতে ক্ষুধা লেগে গেল, একটি হোটেলে ঢুকে খেয়ে নিলাম।

খাওয়া শেষে একটি গাড়ী ঠিক করলাম কয়েকটি স্পটে যাওয়ার। গাড়ী নিয়ে প্রথমেই সেন্ট পল্স স্কুল দেখতে গেলাম। স্কুল ছিলো বন্ধ, বিনা অনুমতিতে ভেতরে যাওয়া নিষেধ তাই সামনের দিকটায় কয়েকটি ছবি তুললাম। এই স্কুলেই বলিউড হিরো শাহরুখ খান ম্যায় হুনা ছবির স্যুটিং করেছিল। সেখান থেকে চলে গেলাম জাপানীজ টেম্পেল, পিস প্যাগোডা। পবিত্র এই ২টি টেম্পেল দেখতে অনেক পর্যটক ভীড় জমান। পীস প্যাগোডা টি খুবই ভালো লাগলো।

ছবি- মোহাম্মদ মহসীন

পিস প্যাগোডাঃ

জানা যায় জাপানিজ বুদ্দিষ্ট নিচিদাসু ফুজির তত্তাবধানে এবং ফাউন্ডার নিপ্পোনজান-মিয়োহজি এর আদেশে তৈরী করা হয় পিস প্যাগোডা। ৯৪ ফিট উঁচু এই প্যাগোডাটি তৈরী হতে সময় লেগেছে ৩বছর। এটির কারুশৈলী দেখার মতো। পিস প্যাগোডায় বিভিন্ন বিষয়ের উপর পোড়া মাটির কাজ বা টেরাকোটার কাজ দেখে মুগ্ধ হয়ে গেলাম, যেমন- “মায়ার স্বপ্ন”,  “আম্রপালী বৈষালীর আমের বাগান”, “মার” এর আক্রমন সহ বিভিন্ন বিষয় টেরা কোটায় সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

 

ছবিঃ মোহাম্মদ মহসীন

রকগার্ডেনঃ

পিস প্যাগোডা ঘুরে চলে গেলাম রক গার্ডেন দেখতে। রক গার্ডেন পৌছানোর আগেই চোখে পড়ল ঝরনা, মন যেতে চাচ্ছে, ড্রাইভারকে জিজ্ঞেস করাতে বলল এটাই “রক গার্ডেন”। যখন পৌছালাম তখন খুশিতে আরো পাগল হয়ে গেলাম। এতো কাছ থেকে এতো সুন্দর ঝরনা এবারই প্রথম দেখলাম, তাই কি করবো বুঝতে পারছি না কতক্ষন ঝরনার নীচে গিয়ে পানিতে ভিজলাম। আমাদের দেশে তো সুবলং আর মাধব কুন্ডের ঝরনা দেখেছি, কিন্তু একটারও কাছে যাওয়া যায় না। আর এই রক গার্ডেন এ একটি প্রাকৃতিক ঝর্নাকে পরিকল্পিতভাবে কয়েকটি ধাপে পর্যটকদের জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। সব পরিপাটি করে সাজানো, পাশে কৃত্রিম ভাবে পাথর দিয়ে বিভিন্ন মূর্তি, গুহা ইত্যাদি তৈরী করা। ঝরনার পাশে নিরাপদ ভাবে সিড়ি তৈরী করা আছে যা দিয়ে আপনি অনায়াসে অনেক উপরে উঠে যেতে পারেন।

সত্যিই এখানে এসে বাচ্চাদের মতো হয়ে গেলাম। মজা করতে লাগলাম আর নয়ন ভরে দেখতে লাগলাম কিভাবে একটি অরক্ষিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কত সুন্দরভাবে রক্ষনাবেক্ষন করে আরো সৌন্দর্যময় ও নিরাপদ করে গড়ে তোলা হয়েছে। আহা! আমাদের দেশে যদি এমন উদ্যোগ কেউ নিতো তাহলে মাধবকুন্ড, সুবলং, হিমছড়ি, নাফাখুম এর মতো জায়গায় আরো বেশী বেশী পর্যটক আসতো।

 

ছবি- মোহাম্মদ মহসীন

ঘুম মনাষ্ট্রিঃ

রকগার্ডেন থেকে  রওনা হয়ে পৌছালাম “সেমটেন চলিং বুদ্ধিষ্ট ঘুম মনাষ্ট্রি” তে। এখানে গৌতম বুদ্ধের একটি সুন্দর মূর্তি আছে। সবাই সকালে এসে প্রার্থনা করে যাচ্ছে। দার্জিলিং শহর থেকে এর দূরত্ব ৭কিঃমিঃ।

 

ছবি- মোহাম্মদ মহসীন

ওয়ার মেমোরিয়ালঃ

এরপর আমরা বাতাসিয়ালুপ এ অবস্থিত “ওয়ার মেমোরিয়াল” দেখতে যাই। ৫রুপি দিয়ে টিকেট কেটে ঢুকলাম। ১৯৪৭ এর যুদ্ধের সময় দার্জিলিং এর ৭৬ জন সাহসী বীরযোদ্ধা তাদের এই মাতৃভূমির জন্য প্রাণ দেন। তাদেরই স্মরনে এই “ওয়ার মেমোরিয়াল”। এখানে আছে ৩০ফুট উচ্চতার ত্রিকোন বিশিষ্ট গ্রানাইটের একটি স্মৃতিস্তম্ভ এবং  ৯ফুট উচ্চতার ব্রোঞ্জের তৈরী একটি ভাস্কর্য । ১৯৯৫ সালে সবার জন্য এই স্থান উম্মুক্ত করে দেয়া হয়।

 

ছবি- মোহাম্মদ মহসীন

টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়ঃ

ওয়ার মেমোরিয়াল দেখে আমরা ম্যালে পৌছে গেলাম। দুপুরের খাবার খেয়ে বিশ্রাম নিয়ে, বিকেলে বের হোলাম বিগবাজার এ, কেনাকাটা ছেড়ে বিগবাজারের উপরে আইনক্স থিয়েটারে একটি হিন্দি ছবি দেখে ফেললাম। এরই মধ্যে আমার সাথের সদ্য পরিচিত দুজন সিদ্ধান্ত নিলো টাইগার হিল যাবে সূর্যোদয় দেখতে। কিন্তু এর জন্য ঘুম থেকে উঠতে হবে ভোর ৫টার আগে। কষ্ট হবে তারপরও ওদের চাপাচপিতে রাজি হয়ে গেলাম। ভোর পাঁচটার আগেই ওরা ট্যাক্সি নিয়ে হাজির আমার হোটেলে। প্রায় আধাঘন্টা পর পৌছালাম টাইগার হিল । উপরে উঠে দেখি আনেক দর্শনার্থীর ভিড়। একটি ফাঁকা জায়গা নিয়ে দাড়ালাম ৩জন। এতো ভীড় যে কেউ জায়গা ছেড়ে কোথাও যাচ্ছে না কারণ জায়গাটি দখল হয়ে যাবে। অপেক্ষা করতে লাগলাম সূর্য্যি মামার আগমনের আশায়।

ঠান্ডায় কাপঁছি আর একের পর এক কফি খাচ্ছি। অবশেষে অপেক্ষার পালা শেষ করে দেখলাম আকাশের পশ্চিম কোনে পাহাড় ঘেঁষে লাল আভা দেখা যাচ্ছে এই তো সূর্য্যি মামার আগমণের বার্তা, টাইগার হিলে অবস্থানরত সকল পর্যটক আরো নড়েচেড়ে বসে তাকিয়ে থাকলো। ধীরে ধীরে লাল আভা হালকা হয়ে এক সময় দেখা গেলো একটি লাল টকটকে বৃত্ত, সবাই যার যার ক্যামেরাতে ক্লিক করছে। আমিও ক্যামেরা তাক করে থাকলাম। লাল বৃত্তটি ধীরে ধীরে তার সকল লাল রং তার আশেপাশে বিলিয়ে দিয়ে সাদা একটি পরিপূর্ণ আমাদের চিরচেনা সূর্য হয়ে উদয় হলো। আর সূর্য্যের সেই লাল আভার একটি অংশ অপর পার্শ্বে কাঞ্চনজঙ্ঘার  উপর। কাঞ্চজঙ্ঘা যেন আরো বেশী সুন্দর হয়ে উঠলো। যা ভোলার নয়। ছবি তুলতে লাগলাম আর বলতে লাগলাম হে আল্লাহ! কি অপরুপ তোমার সৃষ্টি, মাশাআল্লাহ ।

টাইগার হিল থেকে ম্যালে ফিরে নাস্তা ছেড়ে বিদায় দিলাম আমার সাথের রুবেল ও তাহাজ্জুদ কে। তারা ঢাকায় ফিরে যাচ্ছে।তাদের বিদায় দিয়ে হোটেলে গিয়ে কিছুক্ষন ঘুমিয়ে নিয়ে আবার বের হোলাম, একা একা দার্জিলিংয়ের চকবাজার দেখতে। চকবাজার যেতে চোখে পড়লো একটি মসজিদ। বেশ বড়। এই একটি মাত্র মসজিদ চোখে পড়ল দার্জিলিংয়ে। জানিনা আরো আছে কিনা। কেনাকাটা শেষ করে বিকেলে ম্যালে সময় কাটিয়ে রাত্রে হোটেলে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম, পরদিন সকালে আমিও ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবো।পরদিন সকালে দার্জিলিং থেকে রওনা হয়ে ঢাকায় পৌছালাম রাত ৩টার দিকে।

দার্জিলিংয়ের আরো অনেক দর্শনীয় স্থান আছে, সময় স্বল্পতার কারণে সব দেখা হয়নি। দার্জিলিং ছেড়ে আসার মুহূর্তে মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। এতো সুন্দর জায়গা ছেড়ে আসতে কার ইচ্ছে করে? ইচ্ছে করছিল যদি একেবারে থেকে যেতে পারতাম। কিন্তু এটাতো সম্ভব নয়।

শুধু আশার সময় দার্জিলিংয়ের সেই সব পাহাড় আর ঝরনা কে বলে এসেছিলাম- “আবার আসবো ফিরে, যদি বেঁচে থাকি।”

লেখা ও ছবিঃ মোহাম্মদ মহসীন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here