দুর্দিনের কান্ডারী

আজ ৪ জুলাই, শুক্রবার, রাজধানীর ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির অন্যতম জনপ্রিয় নেতা, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য (দপ্তরে সংযুক্ত) তারিকুল আলম তেনজিং এর সমর্থনে হাজারো নেতাকর্মী এক বিশাল মিছিলে অংশগ্রহণ করেন।

মিছিলটি মিরপুর-১০ নম্বর থেকে শুরু হয়ে রজনীগন্ধা সুপার মার্কেট পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। জনসমুদ্রের মতো এই মিছিল এ যাবৎকালে ঢাকা-১৫ আসনে বিএনপির সবচেয়ে বড় জমায়েত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ছিল উত্তেজনা, উদ্দীপনা ও দৃঢ় প্রত্যয়। তারা ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে মুখরিত করে তোলে পুরো এলাকা। বিশেষ করে “দুর্দীনের কান্ডারী আমাদের ভাই তেনজিং ভাই, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জিন্দাবাদ” স্লোগানটি মিছিলে ব্যাপকভাবে প্রতিধ্বনিত হয়।

দুর্দিনের কান্ডারী

জাতীয়তাবাদী শক্তির এই বিশাল প্রদর্শনে নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ চোখে পড়ার মতো ছিল।

সমাপ্তি বিন্দুতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তারিকুল আলম তেনজিং বলেন,

“এটি কোন নির্বাচনী প্রচারণা নয়। এটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সুযোগ্য উত্তরসূরি দেশনায়ক তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের কর্মসূচি জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার একটি তাৎক্ষণিক প্রচেষ্টা। এই কর্মসূচি প্রতিদিন চলমান থাকবে এবং এটি কোন পুনঃনির্ধারিত কর্মসূচি নয়।”

তিনি আরো বলেন,

“বর্তমানে অনেকেই মিথ্যে প্রচার চালাচ্ছে যে তাদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। আমরা জাতীয়তাবাদী পরিবার এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবো। দেশনায়ক তারেক রহমান যাকে মনোনীত করবেন, ধানের শীষ প্রতীক দিয়ে যাকে ম্যান্ডেট দিবেন, আমরা সেই প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবো।”

দুর্দিনের কান্ডারী

তারিকুল আলম তেনজিং আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী গ্রুপ ও নেতাদের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন,

“আমরা দেখেছি অনেকে  ষড়যন্ত্রকারী ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কাজ করছে। যদি তাদের সাথে দেখতে পাই, আমরা শুধু রাজনৈতিকভাবে নয়, প্রয়োজনে প্রতিরোধের পথও বেছে নেবো।ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীদের সাথে সাথে তাদেরও হাত-পা ভেঙ্গে দিবো।”

বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন,

“আমরা অতীতেও রাস্তায় ছিলাম, এখনো আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। ইনশাআল্লাহ, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ঘরে ফিরবো।”

এই বিশাল মিছিল প্রমাণ করেছে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির রাজনীতিতে আজও রয়েছে জনসম্পৃক্ততা, শক্তি ও সাহস। নেতাকর্মীদের চেতনায় ‘জয় বাংলা’ নয়, বরং ‘দুর্দীনের কান্ডারী আমাদের ভাই তেনজিং ভাই, বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগানে মুখর ছিল মিরপুর ও কাফরুলের রাজপথ।

— নিজস্ব সংবাদদাতা