শেরপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে দলটির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। এ সময় ১৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিতে ছাত্রদল নেতা নয়ন মিয়ার মৃত্যুর প্রতিবাদে মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেলের বাসভবনের সামনে ডাকা বিক্ষোভে এ ঘটনা ঘটে।শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বিপিএম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, বিএনপি নেতা মাহমুদুল হকের বাসভবনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি রঘুনাথবাজার কালিমন্দির মোড়ে এলে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় বিএনপি নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ এবং কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করে।
এর জেরে পুলিশ ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হলে শহরের রঘুনাথ বাজার ও গৃদানারায়নপুর এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। রাস্তায় যানবাহণ চলাচল ও দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গ দলের নেত-কার্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও শর্টগানের গুলি ছুড়ে। এ সময় ১৬ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
এদিকে লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল, ইটপাটকেলের আঘাতে পুলিশ, পথচারী ও বিএনপির নেতা-কর্মীসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় পুলিশকে দোষারোপ করে জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেল প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ অতি উৎসাহি হয়ে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ও গুলি চালিয়েছে। এতে আমাদের অনেক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। অনেক নেতা-কর্মীকে আটক করেছে।’
এ বিষয়ে শেরপুরের পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান বলেন, ‘বিএনপির নেতা-কর্মীরা নাশকতার পরিকল্পনা করে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুলিশের ৬/৭ সদস্য আহত হয়েছেন। পরে পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতরা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন’
সূত্রঃ প্রতিদিনের বাংলাদেশ







