দু’চারটি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা নক্ষত্র জানান দিচ্ছে,
পৃথিবীর বুকে এখনো রাত জেগে আছে।
ম্রিয়মাণ জোছনা জানালার পর্দা গলে সুইচবোর্ডের কৃত্রিম কিছু আলো আর নিস্তব্ধতার সাথে ঘরের ভেতর রোদ ছায়ার খেলা করে।
বিনিদ্র দুটি চোখ স্মৃতির পান্ডুলিপি
মেলে ধরে।
ধুলো জমেনি,ছাতা পড়েনি, কেমন ঝকঝকে তকতকে!
মনে হচ্ছে এইতো মাত্র ‘অনুভূতি’ নামক বর্ণাঢ্য পৃষ্ঠা গুলোকে ছুঁয়েছিলাম!
হ্যাঁ, ছুঁয়ে দেই আমি অলস অবসরে,কাজের ফাঁকে, ঘুম ভরা চোখের পাতা নিয়ে ও হাতড়ে নেই পৃষ্ঠা গুলোকে,একটু ও পুরোনো হতে দেই না।
কেনই বা দেবো!
প্রতিটি পৃষ্ঠায় লেপ্টে আছে আমার ভালোলাগার শিহরণ, আমার পূর্ণতার উল্লাস,অপূর্ণতার দীর্ঘশ্বাস, না পাওয়ার আর্তনাদ, ছুটে চলা জীবনের পদ চিহ্ণের গভীরতার ক্ষত।
প্রতিনিয়ত ছুটে চলি,স্মৃতিরা ও কখনো প্রজাপতির ডানায় ভর করে কখনো জোনাকি পোকার দল হয়ে আমার পিছু পিছু ছোটে।
বর্ণাঢ্য সব অনুভূতির মাঝে একলা হাঁটার উপায় কই?
শুধু ইচ্ছে করে স্বপ্নহীন গভীর ঘুমে তলিয়ে যেতে।
অন্ধকার আকাশে দু’একটা নক্ষত্র আরও জ্বলে উঠেছে, পাতার থোকা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছের উপর হালকা আলোয় কেমন ভৌতিক হয়ে উঠেছে।
গাছের ডালে বাঁধানো বাসাটিতে মা পাখিটা কি আমার মতো সূর্যের রক্তিম আভার অপেক্ষায় রয়েছে,খুব জানতে ইচ্ছে করছে।
লেখক == জেসমীন আক্তার







