বিদ্যুৎ ও পানি সংকটের প্রতিবাদে টানা এক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভে উত্তাল মাদাগাস্কার। এ ঘটনায় অন্তত ২২ জন নিহত ও শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
জনরোষের মুখে সরকার ভেঙে দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আন্দ্রে রাজোয়েলিনা।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট রাজোয়েলিনা সরকারের ব্যর্থতার দায় স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি তরুণদের উদ্দেশে বলেন,
“বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও পানির সংকটে জনগণের দুঃখ-কষ্ট আমি উপলব্ধি করি। তরুণদের কণ্ঠস্বর শুনেছি। আমাদের আরও ভালোভাবে কাজ করতে হবে।”
রাজধানী আন্তানানারিভোসহ বিভিন্ন শহরে তরুণদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট ব্যবহার করলে উত্তেজনা আরও বাড়ে। রাজধানীতে কারফিউ জারি করা হয়। এ সময় বেশ কিছু দোকানপাট, ব্যাংক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বাড়িঘরে লুটপাটের ঘটনাও ঘটে।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে অনেক সাধারণ নাগরিক রয়েছেন। কেউ নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে, আবার কেউ সহিংসতা ও লুটপাটের শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। তবে মাদাগাস্কারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব তথ্যকে “গুজব ও ভ্রান্তি” বলে দাবি করেছে।
রাষ্ট্রীয় ভাষণে প্রেসিডেন্ট রাজোয়েলিনা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তার আশ্বাস দেন এবং তরুণদের সঙ্গে সরাসরি সংলাপের জন্য উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন।










