
সিঁড়ির ওপর
বইছে তরল
রক্তরেখা–
হঠাৎ তখন
শেখ মুজিবের
সঙ্গে দেখা!
করুণ হেসে
বলেন, দুঃখ
পাস নে ওতে–
খুব প্রয়োজন
ছিলই আমার
রক্তপাতে।
নয়টা মাসেই
হয় যদি দেশ
স্বাধীন কারো–
অনেক শিক্ষা
তাদের বাকি
রয় না আরো?
সহজ তো নয়
পিতৃখুনের
দায়কে বহন–
রক্তমাংসে
চলতে থাকে
অতল দহন।
যেই বাঙালি
লক্ষ শহীদ
ভুলতে জানে–
ভাইবেরাদর
খুঁজতে থাকে
পাকিস্তানে,
দুর্নীতিতে
আকাশছোঁয়া
পাহাড় গড়ে–
ঘরের ভেতর
কৃষক যখন
শুকিয়ে মরে,
শ্রমিক মরে
আগুনলাগা
কারখানাতে–
সেসব খবর
দাগ ফেলে না
যার জানাতে,
মধ্যবিত্ত
বৃষ্টি ভিজে
রৌদ্রে ঘেমে–
রাস্তা ফেরার
ভুলেই গেছে
দেশপ্রেমে,
পাপের ভারা
পূর্ণ করে
আবার তবে–
এই বাঙালি
সত্যিকারের
মানুষ হবে।
ওদের দেয়ার
শিক্ষা আছে
অনেক বাকি–
তাই তো আমি
রক্তমাখা
লুটিয়ে থাকি…মুজিব মাথায়
হাতটা রাখেন
স্নেহের ছলে,
স্তব্ধ আমি
ভাসতে থাকি
চোখের জলে।
ছড়া- মৃদুল আহমেদ







