Home আন্তর্জাতিক ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে চূর্ণ ইসরায়েলের আয়রন ডোম, তেল আবিবে ব্যাপক ধ্বংস

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে চূর্ণ ইসরায়েলের আয়রন ডোম, তেল আবিবে ব্যাপক ধ্বংস

270
0
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে চূর্ণ ইসরায়েলের আয়রন ডোম

মধ্যপ্রাচ্য এখন উত্তাল ইরান ও ইসরায়েলের পাল্টাপাল্টি আক্রমণে। গত ২৪ ঘণ্টায় যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও ভয়ানক রূপ নিয়েছে।

শুক্রবার ভোরে ইসরায়েল তাদের সামরিক অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাসমূহ, ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র এবং শীর্ষ সামরিক নেতাদের লক্ষ্য করে ভয়াবহ বিমান হামলা চালায়। এই অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’

ইসরায়েলের এ হামলায় প্রাণ হারান ইরানের ৬ জন পারমাণবিক বিজ্ঞানীসহ দেশটির শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা মেজর জেনারেল হোসেন সালামি, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি এবং জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলি শামখানি।

এই ঘটনার পর শনিবার ভোরে প্রতিশোধমূলক হামলা চালায় ইরান। তাদের নিক্ষিপ্ত ব্যালিস্টিক মিসাইল ভেদ করে দেয় ইসরায়েলের অত্যাধুনিক আয়রন ডোম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সরাসরি আঘাত হানে তেল আবিবে। বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পুরো শহর, ছড়িয়ে পড়ে আগুন।

মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে নাগরিকদের ঘুম ভাঙে সাইরেনের শব্দে। আতঙ্কে বহু মানুষ আশ্রয় নেয় রেসকিউ সেন্টারে। ইসরায়েলের গর্বের প্রতীক আয়রন ডোম এবং ডেভিডস স্লিং সিস্টেমও ইরানের হামলা প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়।

ইরান দুই দফায় এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, যার লক্ষ্য ছিল তেল আবিবের সেনা সদরদপ্তরসহ বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা। শুধু তেল আবিব নয়, জেরুজালেমেও বাজে এয়ার রেড সাইরেন, সেখানে হামলার খবর নিশ্চিত করেছে ইসরায়েল সরকার। জেরুজালেমে একজন সাধারণ নাগরিকের মৃত্যুর পাশাপাশি অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে, ইরানের রাজধানী তেহরানের মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হামলার খবর মিলেছে।

এর আগের দিন, ইসরায়েলের ২০০টি ফাইটার জেট দিয়ে চালানো হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ৭৮ জন নিহত ও ৩২০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এই হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, এর ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে ইসরায়েলকে। শনিবারের পাল্টা হামলাই যেন সেই হুঁশিয়ারির বাস্তব প্রতিফলন।