বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে সপরিবারে যোগ দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।

গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা ও ত্যাগের স্বীকৃতি

ইফতারপূর্ব এক সংক্ষিপ্ত আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন:

“দেশের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আমরা সবাই আজ একত্রিত হয়েছি। দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও হাজারো মানুষের ওপর অমানবিক নির্যাতনের বিনিময়ে দেশে গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই মূলত আমাদের প্রকৃত গণতান্ত্রিক যাত্রা শুরু হলো।”

জনকল্যাণে শপথের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উপস্থিত সকলের উদ্দেশে বলেন, “দেশের মানুষ আজ অনেক প্রত্যাশা নিয়ে এই সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে। আমাদের কাজ কেবল ক্ষমতা পরিচালনা নয়, বরং মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা।”

তিনি মহান আল্লাহর নামে শপথ নিয়ে আগামী দিনে দেশের কল্যাণে নিবেদিতভাবে কাজ করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। একইসঙ্গে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ তৌফিক প্রার্থনা করেন তিনি।

রাজনৈতিক গুরুত্ব ও সংহতি

জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এই ইফতার মাহফিলে দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ওলামায়ে কেরাম এবং বিভিন্ন পেশাজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সংহতির এক নতুন উদাহরণ সৃষ্টি করল।

সবশেষে দেশ ও জাতির শান্তি কামনায় বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে ইফতার মাহফিলটি সম্পন্ন হয়।