Home আন্তর্জাতিক ১ বনাম ৮০: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতায় কাঁপছে ইসরায়েল ও আমেরিকা।

১ বনাম ৮০: ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের বিধ্বংসী ক্ষমতায় কাঁপছে ইসরায়েল ও আমেরিকা।

2
0
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | তেহরান মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের রণক্ষেত্রে শত্রুবেষ্টিত দেশগুলোর ওপর নিজেদের সামরিক আধিপত্যের জানান দিল ইরান। ইরানের খাতামুল আম্বিয়া (আ.) সামরিক ঘাঁটির মুখপাত্র কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাকারি দাবি করেছেন, বর্তমানে যুদ্ধের ময়দানে ইরান একচ্ছত্র কর্তৃত্ব করছে এবং তারা যখন ইচ্ছা মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থানে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।

‘একটি ক্ষেপণাস্ত্র ৮০টি আঘাতের সমান’

পার্স-টুডের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে কর্নেল জুলফাকারি এক বিস্ময়কর তথ্য দিয়েছেন। তিনি জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হামলাগুলো এখন এতটাই সুচারু ও চৌকস কৌশলে পরিচালিত হচ্ছে যে, ইরানের প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন উৎক্ষেপণ শত্রুপক্ষের অন্তত ৮০টি ভিন্ন ভিন্ন স্থানে আঘাত হানার সমপর্যায়ের ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে সক্ষম।

খসে পড়ছে শত্রুর ‘মেকি’ শক্তি

কর্নেল ইব্রাহিম জুলফাকারি বলেন, “ইরানের সুপরিকল্পিত ও পর্যায়ক্রমিক পদক্ষেপের ফলে শত্রুদের তথাকথিত সামরিক শক্তিমত্তার মিথ্যা মুখোশ খসে পড়ছে। পশ্চিম এশিয়া এবং অধিকৃত ফিলিস্তিন তথা ইসরায়েলি ভূখণ্ডে আমাদের কৌশলী হামলার কারণে সেখানে বিরামহীনভাবে বিপদ-সংকেতের সাইরেন বেজেই চলেছে।”

তিনি আরও যোগ করেন, “প্রতিটি ঘণ্টা ও প্রতিটি মিনিটে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী ইচ্ছা করলেই মার্কিন সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরায়েলি স্থাপনাগুলোতে মারণাস্ত্র নিক্ষেপ করতে পারছে। আমাদের ইউনিটগুলো অত্যন্ত নির্ভুল পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে মার্কিন সেনাদের ওপর আঘাত হানার জন্য ওঁত পেতে রয়েছে।”

মানব-ঢাল হিসেবে বেসামরিক নাগরিকদের ব্যবহার

ইরানের এই সামরিক কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, রণক্ষেত্রে বিপর্যয়ের মুখে পড়ে ইহুদিবাদী শাসকচক্র (ইসরায়েল) সাধারণ নাগরিকদের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে আটকে রেখেছে। মূলত ইসরায়েলি সেনাদের জীবন বাঁচাতে বেসামরিক নাগরিকদের ‘মানব-ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সামরিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট

গত কয়েক দিন ধরে ইরানের খাতামুল আম্বিয়া ঘাঁটি থেকে ধারাবাহিকভাবে মার্কিন ও ইসরায়েলি ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের হাইপারসনিক প্রযুক্তি এবং ড্রোন সক্ষমতা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন থাড (THAAD) ও প্যাট্রিয়ট (Patriot) প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চরম চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।