ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. এম এ কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। হাইকোর্টে রিট খারিজ হওয়ার পর আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) তিনি আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এই আবেদন দাখিল করেছেন।
আইনি লড়াইয়ের প্রেক্ষাপট
বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ড. এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্ব এবং হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে তার প্রার্থিতা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। নাহিদ ইসলামের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মূসা গণমাধ্যমকে জানান, “হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আমরা আপিল বিভাগে আবেদন করেছি। আগামীকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) চেম্বার বিচারপতির আদালতে এই আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।”
হাইকোর্টের পূর্ববর্তী রায়
এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ নাহিদ ইসলামের করা রিটটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছিলেন। ওই আদেশের ফলে ড. কাইয়ুমের প্রার্থিতা বৈধ বলে বহাল থাকে। তবে সেই আদেশ মেনে না নিয়ে লড়াই উচ্চ আদালতে নিয়ে গেলেন নাহিদ ইসলাম।
অভিযোগের সারসংক্ষেপ
গত ২ ফেব্রুয়ারি দায়ের করা মূল রিটে দাবি করা হয়েছিল যে, ড. এম এ কাইয়ুমের বিদেশের নাগরিকত্ব রয়েছে এবং তিনি নির্বাচনের হলফনামায় তা গোপন করেছেন। যদিও কাইয়ুমের আইনজীবীরা শুরু থেকেই এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছেন। উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক বাছাইয়ে এই দুই প্রার্থীরই মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিল।







