ভিসা, কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পারমিট) এবং অন্যান্য কনস্যুলার সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের জন্য বিশেষ যৌথ নির্দেশনা জারি করেছে বিশ্বের প্রভাবশালী ১৩টি দেশ। আবেদন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অবৈধ মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের দৌরাত্ম্য রুখতে দেশগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে দাপ্তরিক প্রক্রিয়া অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষরকারী দেশসমূহ
বুধবার (৮ এপ্রিল) ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে এই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা দেশগুলো হলো:
অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য।
কঠোর নির্দেশনা ও ঝুঁকি
বিবৃতিতে দেশগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ভিসার আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দেশের নির্ধারিত সরকারি আইনি প্রক্রিয়া কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। আবেদনকারীদের জন্য প্রধান কিছু নির্দেশনা হলো:
- জাল কাগজপত্র বর্জন: কোনো অবস্থাতেই জাল কাগজপত্র ব্যবহার করা যাবে না।
- লাইসেন্সবিহীন এজেন্ট: অবিশ্বস্ত বা লাইসেন্সবিহীন এজেন্টের সহায়তা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।
- অবৈধ অর্থ লেনদেন: অননুমোদিত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে অর্থ লেনদেন করা ঝুঁকিপূর্ণ।
সতর্কবার্তায় বলা হয়, অসত্য তথ্যের আশ্রয় নিলে আবেদনের সিদ্ধান্ত আসতে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হতে পারে। এছাড়া আর্থিক ক্ষতি, সংশ্লিষ্ট দেশে প্রবেশে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং গুরুতর আইনি জটিলতার ঝুঁকি রয়েছে।
দূতাবাস ও এজেন্ট সম্পর্ক নিয়ে স্পষ্ট বার্তা
দেশগুলো সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো দেশের মিশন বা দূতাবাস কোনো নির্দিষ্ট এজেন্টের সঙ্গে বাণিজ্যিক বা প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্কে যুক্ত নয়। যারা ভিসা পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা বা প্রভাব বিস্তারের দাবি করে, তারা মূলত প্রতারক চক্রের অংশ। এমন মধ্যস্থতাকারীদের ওপর নির্ভর না করতে সর্বসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে।
নিরাপদ আবেদনের উপায়
ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকে নিরাপদ ও স্বচ্ছ রাখতে সংশ্লিষ্ট দেশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও দাপ্তরিক চ্যানেলের মাধ্যমে তথ্য যাচাই করে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়েছে।







