নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের ঘাঘা গ্রামে সাংবাদিক মোঃ মাসুদ পারভেজ গত ১৪/০৫/২৫ তারিখে গরু ছিনিয়ে নেওয়ার একটি ভিডিও ধারণ করে তা প্রশাসনকে অবহিত করেন। বিষয়টি জানার পর প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে গরুটি উদ্ধার করে।
কিন্তু এই সাহসিকতাই কাল হয়ে দাঁড়ায় সাংবাদিক মাসুদ পারভেজের জন্য। ঘাঘা গ্রামের চিহ্নিত বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য কওছার শেখের ছেলে আলী শেখ এবং মোজাম শেখের ছেলে রকিব শেখ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলার চেষ্টা করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোটাকোল বিট পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের ধাওয়া দিলে মাসুদ পারভেজ প্রাণে রক্ষা পান।
পরবর্তীতে, ১৩/০৫/২৫ তারিখ রাত ৮টার দিকে তারা পারভেজের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পারভেজের মায়ের গলার স্বর্ণের চেইন ও ঘরে থাকা নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
ঘটনার পর মাসুদ পারভেজ লোহাগড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এরই জেরধরে একই গ্রামের মন্টু শেখের ছেলে আশরাফুল আলম ওরফে কালু’র নেতৃত্বে ঘটনার দুই দিন পর সাংবাদিক পারভেজের চাচাতো ভাই খায়রুল শেখকে গত (১৬ মে) খায়রুলের বাড়িতে ঢুকে তাকে কুপিয়ে মারাত্মক আহত করে।
পরে তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় লোহাগড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন,ভুক্তভোগীর ভাই।
ঘাঘা গ্রামের নাম পরিচয় জানাতে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তী বলেন,কালু একজন চিহ্নিত মোটরসাইকেল চোঁরচক্রের সদস্য এবং একাধীক বার লোহাগড়াসহ বিভিন্ন জেলায় পুলিশের হাতে আটক হয়ে জেল খেটেছেন।
আলী শেখ যশোরের ঝুমঝমপুর এলাকার কিশোর গ্যাং এর সদস্য এবং ৭-৮ মাস আগে ঘাঘা গ্রামে এসে বসবাস করে এবং সবসময় চাকু নিয়ে যাকে তাকে আক্রমণ করে এবং পাশের ধলাইতলা গ্রামে’র দুজনকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে।
এরই জের ধরে ঘটনার দুই দিন পর, একই গ্রামের মন্টু শেখের ছেলে আশরাফুল আলম ওরফে কালুর নেতৃত্বে সাংবাদিক মাসুদ পারভেজের চাচাতো ভাই খায়রুল শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। গত ১৬ মে রাতে খায়রুল শেখের নিজ বাড়িতে ঢুকে তাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই লোহাগড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘাঘা গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি জানান, কালু একজন চিহ্নিত মোটরসাইকেল চোরচক্রের সদস্য। তিনি একাধিকবার লোহাগড়া ও অন্যান্য জেলার পুলিশ হাতে গ্রেফতার হয়ে জেল খেটেছেন।
এছাড়া, আলী শেখ যশোরের ঝুমঝমপুর এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সক্রিয় সদস্য। প্রায় ৭-৮ মাস আগে সে ঘাঘা গ্রামে এসে বসবাস শুরু করে। সে সবসময় সঙ্গে চাকু বহন করে এবং যাকে-তাকে আক্রমণ করতে দ্বিধা করে না। এমনকি, পাশের ধলাইতলা গ্রামের দুজন ব্যক্তিকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
–নিউজ ডেস্ক







